ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি! ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো উদ্বোধন ডাক পেল না মুখ্যমন্ত্রী

আজবাংলা    ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সূচনা অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি মেট্রোর তরফে। তাঁকে বাদ দিয়েই উদ্বোধন হবে । ডাকা হয়নি নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকেও। আমন্ত্রিত নন মুখ্যসচিবও। এই ‘উপেক্ষা’র প্রতিবাদে  উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ‘বয়কট’ করছে রাজ্য সরকার। সূত্রে খবর, আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন সুজিত বসু, কৃষ্ণা বসু ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার। কিন্তু কেউ-ই যাবেন না। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজ্যের তরফে কোনও প্রতিনিধি-ই উপস্থিত থাকবেন না।তবে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, নিয়ম মেনেই সব কাজ হয়েছে।

সে কারণে  সাংসদ, বিধায়কদের আমন্ত্রণ করা হয়েছে।রাজ্য প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখেই উদ্বোধনের দিন ঘোষণা করা হয়েছে বলে সরব হয়েছে তৃণমূল।পাল্টা তৃণমূলকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অতীত স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন মুকুল রায়। মুকুল রায় বলেন,”এতো ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি! মমতাও তো রেলমন্ত্রী থাকাকালীন টালিগঞ্জ থেকে গড়িয়া বাজার মেট্রোর সম্প্রসারণে ডাকেননি তত্কালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে।”টালিগঞ্জ থেকে গড়িয়া বাজার পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার লম্বা মেট্রোপথের সম্প্রসারণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে।

সম্প্রসারিত মেট্রোপথের উদ্বোধন করেছিলেন মমতা।  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন তত্কালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় ও রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী। সে সময় বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু দাবি করেছিলেন, সরকারি টাকায় রাজনৈতিক অনুষ্ঠান করছেন রেলমন্ত্রী।   লক্ষ্মীবারে সূচনা হতে চলেছে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর। প্রাথমিকভাবে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ থেকে যুবভারতী স্টেডিয়াম পর্যন্ত চলবে মেট্রো। প্রথম পর্যায়ে করুণাময়ী-সহ ৬টি স্টেশনে দাঁড়াবে মেট্রো। কয়েক মাসের মধ্যে ফুলবাগান পর্যন্ত তা চালু করা হবে। বৃহস্পতিবার এর সূচনা করবেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু, বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীকে।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!