পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে টেলি আওয়ার্ড অনুষ্ঠান ব্রাত্য রাজ্যের চলচ্চিত্র পরিচালকরা ।

টেলি আওয়ার্ড
টেলি আওয়ার্ড

শুভাশীষ কর আজবাংলা গতকাল ৬ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে টেলি আওয়ার্ড অনুষ্ঠান । অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী, মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস, ফেডারেশনের সভাপতি স্বরুপ বিশ্বাস , সাধারণ সম্পাদিকা অপর্ণা ঘটক সহ বিশিষ্ট অতিথিরাও । সুত্রের খবর এই অনুষ্ঠানে ব্রাত্য রাখা হল ১৯৭০ সালে জন্ম পরিচালক সংগঠন EIMPDA এর প্রায় ৪০০ জন চলচ্চিত্র পরিচালকদের । সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিমল দে’র কথায় ফেডারেশন গত ২০১৭ সাল থেকে ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার ডিরেক্টরস্ এসোশিয়েশনের এফিলিয়েশন ফি অনৈতিক ভাবে নেওয়া বন্ধ করে দেয়, যার কারণ ফেডারেশন থেকে এখন অবধি লিখিত ভাবে জানানো হয় নি । এমন কি, একই কারনে জুনিয়ার আর্টিস্ট সংগঠনটিকেও ব্রাত্য করে রাখা হয় । শ্রী দে দাবীর সাথে বলেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তথা তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের কাছে সঠিক বার্তা ও তথ্য দেওয়া হচ্ছে না । যার ফলে সরকারের চোখে ধুলো দিয়ে চলছে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের অবক্ষয়ের পালা । কদিন আগেও একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয় একজন খ্যাতনামা চিত্র পরিচালক শ্রী সুব্রত রঞ্জন দত্ত, দীর্ঘ চার বছর কোন ছবি না পেয়ে বাধ্য হন একটি হাউসিং এ রক্ষীর কাজ করতে । ফেডারেশনের অনৈতিক অহেতুক নীতি নির্ধারণকেই দায়ী করছেন এই শিল্পে যুক্ত অনেকেই । তাঁদের মতে শাসকদলের অঙ্গুলীহেলনে চলছে ফেডারেশন । শ্রী বিমল দে এও বলেন যে পরিচালকদের আয়ত্বে আনতে দুটি সভাতে প্রায় তিরিশ লক্ষ টাকা খরচ করেছে ফেডারেশন তথা বিশ্বাস ভাইরা ও অপর্ণা ঘটক । এখন প্রশ্ন জেগেছে সকল কলাকুশলীদের মধ্যে, যে দুটি সভা করার জন্য এই টাকা খরচ করা হলো, সেই টাকা’র উৎস কোথায় ? এর সদুত্তর কেও দিতে পারেনি । কিন্তু এটা পরিস্কার যে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে শাসকদল পোষিত ব্যক্তিবর্গ ও অধিকাংশ কলাকুশলীদের মধ্যে প্রত্যক্ষ চাপানুতর চলছে । আজ বাংলা ছবির মান বেশ নিচে , একটা গৌরবময় সময় ছিল, যে সময়ে বাংলা ছবিকে নকল করে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তের ভাষায় অনুবাদিত হত । বর্তমানে মানুষ ছোট পর্দায় কুক্ষিগত , তাই ছোট হোক বা বড় পর্দা হোক পরিচালকই সর্বেসর্বা । রাজনৈতিক রং না লাগিয়ে এদের কে ব্রাত্য রাখাটা ভুল ।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!