হাই কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের ভোটে গেরুয়া ঝড়। ধরাশায়ী শাসক তৃণমূল

কলকাতা হাইকোর্ট
কলকাতা হাইকোর্ট

আজবাংলা সম্প্রতি লোকসভায় প্রভূত সাফল্য পেয়েছে বিজেপি। রাজ্যে ৪২টির মধ্যে ১৮টি আসনে জয়ী হয়েছে। তৃণমূলের ২২টি আসন প্রাপ্তিতে ঘাড়ের সামনে নিঃশ্বাস ফেলছে বিজেপি। এই অবস্থায় খোদ কলকাতার বুকে হাইকোর্টের বার কাউন্সিলে বিজেপির জয় অন্যরকম বার্তা দিয়ে গেল। কলকাতা যে তৃণমূলের কাছে মস্ত বড় চ্যালেঞ্জের হয়ে উঠছে, তা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিই জানান দিচ্ছে।বার কাউন্সিলের ভোটে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে জয় বিজেপি প্রার্থীদের। আদালত সূত্রে খবর, বার অ্যাসোসিয়েশনের ১৫টি পদের মধ্যে আটটি গুরুত্বপূর্ণ পদে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। তৃণমূল ও কংগ্রেস জিতেছে একটি করে আসন।প্রকাশ্যে না বললেও, বিজেপির এই জয়ে যে তাঁরা চাপে পড়েছেন, তা মেনে নিয়েছে শাসকগোষ্ঠীর আইনজীবীদেরই একাংশ। একবছর আগেও যে বিজেপির সামান্যতম চিহ্ন ছিল না হাই কোর্টে। একচ্ছত্র রাজত্ব করত তৃণমূল। সেখানে কীভাবে শক্তি বাড়াল গেরুয়া শিবিরে, তা ভেবে কূল পাচ্ছে না ওয়াকিবহাল মহল। রাজ্যের সবচেয়ে বড় আদালতে এত বড় জয়ে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত গেরুয়া শিবির। খুশী বিজেপির সমস্ত জয়ী প্রার্থীরা। তাঁদের দাবি, এটা সত্যের জয়। ন্যায়ের মন্দিরে সত্যের জয় হয়েছে। তৃণমূলের ঔদ্ধত্যের পরাজয় হয়েছে। অন্যদিকে, পদ্ম শিবিরের এই জয়কে পয়সার খেলা বলে কটাক্ষ করেছে শাসকদল। প্রসঙ্গত, বিধাননগর পুরনিগমের অনাস্থা প্রস্তাব সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের এজলাসে আগেই এই বিষয়টির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করছে বিজেপি। মঙ্গলবার ফলাফল ঘোষণার পরে, সেই একই অভিযোগে সরব হতে দেখা গিয়েছে শাসকদলের আইনজীবীদের। যদিও এই সমস্ত অভিযোগকে পাত্তা দিতে নারাজ গেরুয়া শিবির। আইনজীবীদের ভোটেই এই জয় এসেছে বলে তাঁদের দাবি।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!