পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের প্রতিবাদে বাঁচলো গাছের প্রাণ

মলয় দে আজবাংলা জয়,এ জয় শুধু পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের নয়, এ জয় অবলা প্রকৃতির, এ জয় মানুষের। অসংখ্য অভিনন্দন প্রশাসনকে, পি ডব্লু ডি ইঞ্জিনীয়ার, পুলিশ প্রশাসনকে, র ্যাফ এবং সহায়তাকারী মানুষজনকে।বাপের ব্যাটার মতো লড়াই দিল আজ সকাল থেকে হাসনাবাদের পার্থ মুখার্জীর নেতৃত্বে, প্রদীপ্তধী সরকার, বসিরহাটের রঞ্জিত মুখার্জী। সকালেই রাস্তা অবরোধ করে তারা, প্রথমটায় পথ চলতি সাধারণ মানুষ ভুল বুঝলেও পরে তারাই পার্থ মুখার্জীর হয়ে গাছ কাটা বিরোধী লড়াইয়ে সামিল হয় - বোঝাতে সক্ষম হয় গাছ কাটিয়েদের যে, কাজটা বেআইনি হচ্ছে, অর্ডারের বাইরে গিয়ে গাছ কাটা হচ্ছে।বসিরহাট এস ডি ও, ওসি, হাসনাবাদ ওসি, পি ডব্লু ডি ইঞ্জিনীয়কে ফোন করেন পার্থ মুখার্জী। তারা সক্রিয় হন, বিশাল পুলিশ বাহিনী, র ্যাফ চলে আসে মধ্যমপুরের ঘটনাস্থলে। প্রশাসনিক আধিকারিকরা বোঝেন অন্যায় হচ্ছে - তারা গাছ কাটিয়েদের ধমক দেন - ঘটনা বিজ্ঞান মঞ্চের পক্ষে যায়। পি ডব্লু ডি ইঞ্জিনীয়ার, ওসিকে পার্থ মুখার্জী, প্রদীপ্ত সরকার, রঞ্জিত মুখার্জী অভিযোগপত্র দেন, তা গৃহীত হয় - পি ডব্লু ডি ইঞ্জিনীয়ার বলেন, ভুল হয়ে গেছে, আর গাছ কাটা হবেনা, এরপর যদি প্রয়োজন হয় তবে তাদের উপস্থিতিতেই সেকাজ হবে - গাছ কাটা বন্ধ হলো।আজকের ঘটনা প্রনান করলো ,ঝুঁকি নিয়ে সাহসের সাথে সঠিক দাবি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লে জয় আসবেই। এ জয় সুভবুদ্ধির জয়, এ জয় চরম সংকট সময়ে বিজ্ঞান মনস্কতার জয়। ঝু্ঁকি নিয়ে বিজ্ঞান মঞ্চের যে নেতৃবৃন্দ - পার্থ মুখার্জী, প্রদীপ্ত সরকার, রঞ্জিত মুখার্জী ঝুঁকি নিয়ে সাহসের সঙ্গে গাছ কাটা রুখে দিলেন, কথা আদায় করে নিলেন, আর গাছ কাটা হবেনা ।