দুনিয়ার প্রথম সারির পোষাকের বদলে মাস্ক, সেন্টের বদলে স্যানিটাইজার

আজবাংলা    নামীদামি ডিজাইনাররা বিনা পয়সায় মাস্ক বানাচ্ছেন, অনলাইনে শেখাচ্ছেন কীভাবে মাস্ক বানাতে হয়। অ্যামজনের জেফ বেজোসের পর যিনি বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা ধনবান সেই এলভিএমএইচের বার্নার্ড আর্র্নলোঁ জানিয়েছেন, তাঁরা দিওর, গুয়ের্লা, গিভাঞ্চির মতো সুগন্ধি সেন্ট বাদ দিয়ে এখন তৈরি করছেন হাইড্রোঅ্যালকোহলিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার জেল।ল্যুই ভিতঁ-ক্রিস্টিন ডিও-জিভ্যঁশি-মোয়েৎ-এ-শনদঁ এবং রিহানাজ ফেন্ডি। ডিজাইনার প্রসাধনী প্রস্তুতকারী ফরাসি ব্র্যান্ডগুলির নাম জগৎজোড়া। যাদের মূল সংস্থা হল এলভিএমএইচ। নিজের ক্ষেত্রে যার বিশ্বসেরার শিরোপা রয়েছে।তাদের অগণিত পারফিউমের মধ্যে সান সং, সুভ্যাজ ডিও বা দাহিলা নয়্যাঁর একটি ৫০ আউন্সের বোতল কিনতে লক্ষাধিক টাকা খরচ করতে আপনি ইচ্ছুক হতে পারেন। কিন্তু লিমিটেড এডিশন হওয়ায়, তা যে সবসময় পাবেন, গ্যারান্টি দিয়ে বলা যাচ্ছে না। লাভের অঙ্ক কতটা? একটা হালকা অনুমান মিলতে পারে সংস্থার চেয়ারম্যান বার্নাদ আর্নল্টের আয় থেকে। ২০১৯ সালেই বিল গেটসকে তিন নম্বরে নামিয়ে দিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় ধনীতম ব্যক্তি হয়েছেন তিনি। ফ্রান্সে এখন মাস্কের অভাব তুঙ্গে। তাই ফ্যাশনদুরস্ত পোষাক আর চামড়ার জিনিস তৈরি বন্ধ রেখেছে তারা। আরেকটি লাক্সারি জিনিসের কোম্পানি দিওর মার্চ মাস থেকেই হাসপাতাল কর্মীদের জন্য শুরু করেছে মাস্ক তৈরির কাজ। যেসব কর্মীরা নানারকম হালফ্যাশানের পোষাক তৈরি করতেন পশ্চিম ফ্রান্সের ব্রিটানির কারখানায় ফের কাজ শুরু করেছেন। তবে বিশ্বের অন্যতম মহার্ঘ পারফিউম প্রস্তুতকারী সংস্থার প্রোডাকশন লাইনে মেশিন অ্যাসেম্বলিতে সম্প্রতি একটু অদলবদল করতে হয়েছে। আগের জনপ্রিয় পারফিউম উৎপাদন কমিয়ে, আইসোপ্রোপাইলের সঙ্গে ইথানল বিশেষ অনুপাতে মিশিয়ে নতুন এক পণ্য তৈরি করছেন কর্তৃপক্ষ।না। ফের বিশ্ব মাতাতে নতুন কোনও ব্র্যান্ড বাজারে আনছে না এলভিএমএইচ। বরং বিশ্বত্রাসে পরিণত হওয়া নভেল করোনাভাইরাস রুখতে বাজারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার জোগান বাড়াতে, নিজেদের উৎপাদন কমিয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানানোর অভিনব পদক্ষেপ করেছেন কর্তৃপক্ষ।