অবশেষে খোঁজ মিললো নিখোঁজ নদীয়ার তৃণমূলের এসসি এসটি ওবিসি নেতার

অবশেষে খোঁজ মিললো নিখোঁজ নদীয়ার তৃণমূলের এসসি এসটি ওবিসি নেতার

অবশেষে খোঁজ মিললো নিখোঁজ শান্তিপুর তৃণমূলের এসসি এসটি ওবিসি নেতা মনোজ সরকারের। গতকাল রাতে আগ্নেয় অস্ত্র রাখা(25) এবং গুলি চালানোর(27)  সাথে যুক্ত অভিযোগে নদীয়ার নগরউখড়া এলাকায় হরিণঘাটা থানার পুলিশ তাকে আটক করে। বলেই জানা যায়  সূত্রের খবর অনুযায়ী। এবং কিছুক্ষণের মধ্যে তাকে কল্যাণী কোর্টে তোলা হবে বলে জানা যায়।

গতকাল আনুমানিক দুটো নাগাদ তিনি নিখোঁজ হন বলেই পরিবার সূত্রে জানা যায় এরপর বিকাল তিনটে নাগাদ তার স্ত্রী প্রিয়া সরকার শান্তিপুর থানায় মিসিং ডায়েরি করেন, পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের পরিবারকে কোনো তথ্য না দিয়ে অসহযোগিতার দাবিতুলে দলীয় পতাকা নিয়ে তৃণমূলের স্লোগান দিয়ে শান্তিপুর থানার সামনের রাস্তা সন্ধ্যে ছটা থেকে সাতটা পর্যন্ত অবরোধ এবং রাস্তার মাঝে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা যায় st.sc.obc সেলের এবং ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে।

প্রসঙ্গত থানা সন্নিহিত 5 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তার বাবা মাধব সরকার। সেই কারণে ওই ওয়ার্ডের একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব এই বিক্ষোভে সামিল হন। এরপর রাত 8 টা থেকে 11 টা পর্যন্ত শান্তিপুর ঘোড়ালিয়া বাইপাস মুখে জাতীয় সড়ক অবরোধ করতে দেখা যায় মনোজ ঘনিষ্ঠ বিপুল সংখ্যক তৃণমূলের বিভিন্ন গণ সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের। যদিও তৃণমূল শহর সভাপতি ব্লক সভাপতি, ব্লক তৃণমূল কমিটির পক্ষ থেকে এমনকি ছাত্র পরিষদের কোনো জেলা নেতৃত্ব কে উপস্থিত হতে দেখা যায়নি।

আসেননি স্থানীয় বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী, পৌর প্রশাসক সুব্রত ঘোষ বা পৌর প্রশাসক মন্ডলী কোনো সদস্য। প্রসঙ্গত এর আগেও মনোজ সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অসমজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিলো। যদিও আজ মন সরকারের ভাই মনি সরকার জানান গতকাল বিক্ষোভ তুলে নেওয়ার সময় প্রশাসন আশ্বস্ত করেছিলেন আজ তার দাদা সরকারের কোনো খোঁজ পেলে জানিয়ে দেওয়া হবে,কিন্তু থানা থেকে এ ধরনের কোনো খোঁজ খবরই তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছায়নি।

তবে হরিণঘাটার এক পরিচিত উকিল এর মাধ্যমে তারা খোঁজ পায় এবং সেই মতন আজ সকালে এসে পৌঁছায়। মনোজ সরকার স্ত্রী প্রিয়া সরকার জানান, তার স্বামীর সাথে একবার দেখা করতে দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান তবে, তার নামে বিগত বছরের মধ্যে কোন অভিযোগ ছিল না বলেই দাবি করেন তিনি, এখনো পর্যন্ত স্বামীর সাথে কথা হয়নি তাই কোন অপরাধে গ্রেপ্তার তা জানতে পারেননি বলেই জানান আমাদের।