ব্যাঙ্কে যাবে বলে বেরিয়ে নিখোঁজ ছাত্রী।থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও অধরা অভিযুক্তেরা,

শান্তনু পুরকাইত, আজবাংলা দক্ষিন ২৪ পরগনা, ব্যাঙ্কে যাবে বলে বের হয়ে ৮দিন ধরে নিখোঁজ ছাত্রী । মহেশতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের । অধরা অভিযুক্তেরা, পরিবারের লোকজনেদের অভিযোগ যে বিদেশে পাচার করেছে । অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে সোচ্চার গ্রামের মানুষ জন । ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা থানার চণ্ডী গড় মাল পাড়ার ঘটনা । এই নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে, স্কুলের টাকা তুলতে যায় মহেশতলা থানার চিংড়ি পোতায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে অন্যান্য সময়ে বেশ কয়েক বার সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কে থেকে টাকা তুলতে আনে ঠিক তেমনি গতো সোমবার সকাল ১০ টা নাগাদ ব্যাঙ্কে যাবে বলে বাড়ি থেকে বের হয় ,কিন্তু আর বাড়িতে ফিরে আসেনি সদ্য উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ ছাত্রী সুনিতা মাল বয়স-১৭,রাজারাম পুর গার্ল স্কুলের ছাত্রী ছিলো সুনিতা মাল ।পড়াশোনা মোটামুটি সুনিতার বাবা বলরাম মালের আর্থিক অনটনের কারণে কলেজে ভর্তি করতে পারেনি মেয়েকে ,সেই জন্য সুনিতা বাড়িতে থাকতো এবং পরিবারের লোকজনেদের অভিযোগ যে সুনিতা ফোন ব্যবহার করতো না একটি ফোন সেটা সুনিতার বাবা ব্যবহার করে । গত সোমবার যখন বেলা গড়িয়ে দুপুর হয়ে যায় পরিবারের লোকজন সুনিতার বান্ধবীদের বাড়ি ও বিভিন্ন আত্মীয়দের বাড়িতে খোঁজ খবর করতে থাকে বেলা গড়িয়ে রাত হয়ে যায় পরিবারের লোকজন তখন থেকে চিন্তায় মূর্চ্ছা যায় এবং হতাশা গ্রস্ত হয়ে পড়ে, কোন জায়গা খোঁজ খবর না পেয়ে মহেশতলা থানার দ্বারস্থ হয় পরিবারের লোকজন মহেশতলা থানার কালিতলা ফাঁড়িতে মিসিং ডায়েরি করেন ।তারপর মঙ্গলবার পাড় প্রতিবেশীদের ও কিছু মানুষ জন বলতে থাকে নাকি যে সংশ্লিষ্ট গ্রামের , ১) নব কুমার দলুই, ২) গুনধর দলুই, ৩) সঞ্জয় দলুই ।ব্যাঙ্কে যাওয়ার পথে সুনিতা কে তুলে নিয়ে চলে যায় কোথায় নিয়ে যায় কিসে করে নিয়ে যায় কেউ যানে না , তবে সুনিতার বাবা বলরাম ও পাড়া প্রতিবেশীরা জানান যে অভিযুক্ত নব কুমার দলুইয়ের :-৪৯ বছর এক ভাইপো এসে সুনিতা পরিবারের লোকজনেদের কাছে বলে যে আমার কাকা তুলে নিয়ে গেছে এবং তারপর থেকে সুনিতাদের বাড়িতে জানিয়ে যাওয়া ব্যক্তি সে আর এখানে থাকে না তার শ্বশুর বাড়িতে থাকতে শুরু করে।পরিবারের লোকজন এই খবর পেয়ে মহেশতলা থানায় এই ৩জন ব্যক্তির নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মহেশতলা থানার পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে fir করে । সুনিতার বাবা বলরাম প্রশাসনের বিভিন্ন মহলের দ্বারস্থ হয়েছেন কিছু সুরাহ হয়নি,সুনিতার পরিবারের লোকজনেদের অভিযোগ সুনিতা কে ক্রিনাপ করে বিদেশে পাচার করে দিয়েছে, না হয় মেরে দিয়েছে ও পাড়া প্রতিবেশীদের একই বক্তব্য যে মেয়েটিকে বিদেশে পাচার করে দিয়ে দিয়েছে । পুলিশ অভিযোগ পেয়েও এলাকায় আসে নি এবং কাউকে গ্রেফতার করেনি । সুনিতার বাবা মা অভিযোগ যে দীর্ঘ ৮দিন হয়ে গেল আমার মেয়ের কোন খোঁজ খবর পায়নি এবং ফোন ও পাইনি । সুনিতার বাবা বলেন আমার মেয়ে যদি কারো সঙ্গে প্রেম ভালোবাসা করে চলে যেতো তাহলে এক বা না এক বার ফোন করতো কিন্তু ৮ দিন হয়ে গেল কোন খোঁজ খবর পায়নি । সুনিতার মা রীণা মাল একই কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন । এখন মাল পরিবারের মাথায় যেনো আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে ,বলরাম মালের তিন সন্তান, দুই মেয়ে এক ছেলে, মেয়েদের মধ্যে ছোট মেয়ে সুনিতা । বলরাম পেশায়- রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজ করে মাঝে মধ্যে ইলেকট্রিকের কাজ করে এই ভাবে সংসারে জীবিকা নির্বাহ করে তিন সন্তান কে নিয়ে । চণ্ডী গড় অর্থাত সুনিতার বাড়ি থেকে মহেশতলা থানার চিংড়ি পোতা রাষ্ট্রায়ত্ত ( এলাদাহ ব্যাঙ্ক) ব্যাঙ্কের দূরত্ব ৭→৮ কিলোমিটার ।গ্রামের মানুষ জন অভিযুক্ত দের শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয় । তারা শাস্তি চায় তারা যেনো উপযুক্ত শাস্তি পায় । হতাশা আর চিন্তা গ্রাস করেছে মাল পরিবারকে, যেনো রোদ জলমল আকাশে বর্জ্য পাত,