মেট্রোর দরজায় হাত আটকে যাত্রী মৃত্যু,গাফিলতির অভিযোগ মেট্রোর বিরুদ্ধে

আজবাংলা পার্কস্ট্রিটে ট্রেন ছাড়বে ছাড়বে করছে, এমন সময় দৌঁড়ে গিয়ে উঠতে গেলেন সজল কাঞ্জিলাল। আটকে গেল হাত। সেই নিয়েই ছুটল ট্রেন। থামার পর লাইনে পড়ে রয়েছে ৬৬ বছর বয়সি কসবার বোসপুকুর রোডের সজল কাঞ্জিলালের দেহ। পার্কস্ট্রিট স্টেশনে ব্যস্ত সময়ে ট্রেন ধরতে গিয়ে দরজায় আটকে গেল যাত্রীর হাত। বাইরে গোটা দেহ। সেই অবস্থাতেই ছুটতে শুরু করল ট্রেন। অথচ স্টেশনে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা খেয়ালই করলেন না। কী করছিলেন তাঁরা? ট্রেন আসা-যাওয়ার পথে তো তাঁদের নজরদারি চালানোর কথা। কিন্তু তখন কী করছিলেন রক্ষীরা? যাত্রীদের অভিযোগ, স্টেশনে তো বেশিরভাগ সময়েই মোবাইল ফোন ঘাঁটতে ব্যস্ত থাকেন নিরাপত্তারক্ষীরা। ট্রেনের ভিতরে থাকা যাত্রীরা সবরকমভাবে চেষ্টা করেছেন ট্রেন থামানোর। কিন্তু চালকের কাছে খবর পৌঁছতে পারেননি যাত্রীরা।আপত্কালীন বোতাম টিপেও সাড়া মেলেনি। এমনকি মেট্রোর হেল্পলাইনে ফোন করেছিলেন যাত্রীরা। সেখানে কেউ ফোনই তোলেনি বলে অভিযোগ। মেট্রোর মুখপাত্র ইন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তদন্তের পর এবিষয়ে বলা সম্ভব। মোটরম্যানের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কিন্তু প্রতিবারই কি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা বলে দায় এড়িয়ে যেতে পারে মেট্রো?  সজল কাঞ্জিলাল নন্দনে ম্যাগাজিন বিক্রি করতে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। স্টেশন থেকে তাঁর দেহ উদ্ধারের পর পাঠানো হয় এসএসকেএম হাসপাতালে।