আমফান এর জন্য মোমবাতির দাম এখন ২০০ টাকা

আজ বাংলা : আমফানের জেরে লন্ডভন্ড গোটা শহর। নেই বিদ্যুৎ, নেই জল, নেই মোবাইল পরিষেবা। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সকলের সাথে। আর এরই মাঝে সবথেকে বেশি যে দুটি জিনিসের চাহিদা সৃষ্টি হল তা মোমবাতি এবং জেনারেটর। চাল, ডাল, আলু এসব কিছু না, এবার ১০০ টাকার মোমবাতি বিক্রি হলো ২০০ টাকায়।

বৃহস্পতিবার দুপুর তখন বারোটা, দুজন মোটরবাইক আরোহী রিজেন্ট পার্ক পোস্ট অফিসের সামনে একটি মুদির দোকানে এসে বলেন ৪টি মোমবাতি চাই। দোকান মালিক পরিতোষ দত্ত বণিক স্তম্ভিত। যা মোমবাতি ছিল তা সকাল দশটার মধ্যে শেষ হয়ে গেছে। তাও দুই যুবক জোরজার করতে শুরু করে। বেহালা মেনটেন এর রুমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সেই হাঁটুজল টপকে এসেছে মোমবাতির খোঁজ করতে। সুতরাং মোমবাতি না নিয়ে তারা যাবে না। অতি কষ্ট করে ফেলেন মাত্র দুটো।

আজাদ গড়ে এক বিড়ি-সিগারেটের দোকানের সামনে মোমবাতি সাজিয়ে বিক্রি করছিলেন সবিতা দাস। কালি পুজোতে মোমবাতিগুলো বিক্রি হয়নি তাই নিয়ে বসেছিলেন। মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার মধ্যে সমস্ত বিক্রি শেষ। জীবনবোধের প্যাকেটের দাম কুড়ি টাকা বিক্রি করছেন ৫০ টাকায়, ১০০ টাকার মোমবাতি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায় তাও মানুষ লাইন দিয়ে তা কিনেছে।

জেনারেটর এর চাহিদাও কিছু কম নয়। ৭০০ টাকার জেনারেটরের ভাড়া ১৮০০ টাকা। যাদবপুরের এক ফ্ল্যাটে থাকা অপূর্ব দত্ত বৃহস্পতিবার সকালে পরিস্থিতি বুঝে একটি জেনারেটর ভাড়া করে আনেন শুধুমাত্র জল ও লাইট ফ্যান চালানোর জন্য। তাতেই জেনারেটরের ভাড়া আকাশছোঁয়া।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!