আকাশ ছোঁয়া হতে চলেছে আলুর দাম, বৃষ্টির জেরে মাথায় হাত আলু চাষীদের ৷

আজবাংলা  নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য বৃদ্ধির ফলে নাভিশ্বাস অবস্থা মধ্যবিত্তের। প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে প্রতিটি জিনিসের দাম।আলুর বাজারে রেট ও আলু চাষের পিছনে খরচে বাড়তে থাকা পার্থক্যেকর জেরে বেশি লাভের সম্ভাবনা ছিল কৃষকদের ৷ কিন্তু ৫ মার্চ হওয়া বৃষ্টির জেরে মাথায় হাত আলু চাষীদের ৷ বৃষ্টির কারণে জমিতে জল জমে গিয়েছে ৷ এর জেরে আলুতে পচন ধরার সম্ভাবনা বেড়ে গিয়েছে ৷ পচন না ধরলেও আলু কালো হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে চাষীরা ৷ এর জেরে আলুর দাম কম হয়ে যাবে ৷ আলুর সাপ্লাইও কমে যেতে পারে ৷ উত্তরপ্রদেশ ও পঞ্জাবে বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৷আলু উৎপাদক কিষাণ সমিতির তরফে জানানো হয়েছে যে উত্তরপ্রদেশে ৩০ থেকে ৩৫ কোটি প্যাকেট আলুর উৎপাদন হয়ে থাকে ৷ এক প্যাকেটের ওজন ৫০ কিলোগ্রাম হয় ৷ এর চেয়ে সবচেয়ে বেশি আলুর উৎপাদন আগ্রা, মথুরা, ফিরোজাবাদ, আলিগড়ে হয়ে থাকে ৷ এর মধ্যে ২৫ কোটি প্যাকেজ কোল্ড স্টোরেজে রেখে দেওয়া হয় ৷ কোল্ড স্টোরেজ থেকে ধীরে ধীরে তা বাজারে নিয়ে আসা হয় ৷ বাকি ৫ থেকে ১০ কোটি প্যাকেট চাষের জমি থেকে সরাসরি বাজারে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ৷অকাল বৃষ্টিতে ডুবে যাওয়া আলুর জমিতে নেমে কান্নায় ভেঙে পড়েন বহু কৃষক। কীভাবে মহাজনের ঋণ শোধ করবেন, তা নিয়েও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা । প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আলুর নাবিধসা রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। রোগ মোকাবিলায় কৃষি দপ্তর পরামর্শও দিচ্ছে। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ায় আলুর নাবিধসা রোগ কতটা ঠেকানো যাবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন চাষিরা। এবছর আলুর চাষ খুব ভাল হয়েছিল ৷ চাষের খরচের থেকে বাজারের রেটও ভাল চলছিল ৷ ৫০ কিলো আলু চাষের জন্য খরচ করতে হয়েছে আনুমানিক ৬২৫ টাকা ৷ বাজারে আলুর দাম চলছিল ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা প্রতি ৫০ কিলোগ্রামে ৷ এই হিসেবে প্রত্যেক প্যাকেটে ৭৫ থেকে ১২৫ টাকা লাভ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল ৷ কিন্তু জমিতে জল জমে যাওয়ায় চিন্তায় কৃষকরা ৷