আমেরিকার সর্বনাশ করাই উদ্দেশ্য ৪০ বছর আগে করোনা ভাইরাস তৈরি করেছিল চিন

আজবাংলা    চিনে মহামারির আকার নিয়ে নিয়েছে মারণ করোনা ভাইরাস৷ করোনাভাইরাস কী থেকে ছড়াল, তা নিয়ে যদিও দ্বিমত রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। বিজ্ঞানীদের দাবি, ১৯৬০ সালে করোনাভাইরাস আবিষ্কৃত হয়। করোনাভাইরাসের উৎপত্তি চিনের হুবেই প্রদেশে। তবে বর্তমানে যে নভেল করোনাভাইরাসের জেরে নাকাল গোটা বিশ্ব, তার উৎপত্তি চিনের হুবেই প্রদেশে। বাদুড় এবং সাপের মাধ্যমে সেটি ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন কেউ কেউ। সেইসঙ্গে উঠে এসেছে ষড়যন্ত্রের তত্ত্বও। আবার জৈব মারণাস্ত্র তৈরি করতে গিয়েই এই মারণ জীবাণু বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি নেটাগরিকদের একাংশের। চিনের ইউহান প্রদেশের একটি বাজার থেকেই প্রথম ছড়ায় করোনা নামক এই ভাইরাস৷ ২৫টির বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা৷ এখন প্রশ্ন হল, ভাইরাসটি কি চিন বায়োলজিক্যাল যুদ্ধের জন্য তৈরি করেছিল? প্রশ্নটা ওঠার মূলে ৪০ বছর আগের একটি উপন্যাস৷ সেই উপন্যাসটিতে একটি ভাইরাসের নাম রয়েছে,উহান-৪০০ Wuhan-400৷ ওই থ্রিলার উপন্যাসটির নাম 'আইজ অফ ডার্কনেস'৷ ১৯৮১ সালে ডিন কুনত্‍জ৷ সেই উপন্যাসে উহান-৪০০ Wuhan-400 নামে একটি ভাইরাসের কথা বলা হয়েছে, যা নাকি চিনে বায়োলজিক্যাল যুদ্ধের গবেষণাগারে প্রস্তুত করা হচ্ছে৷ বায়োলজিক্যাল যুদ্ধ হল, মারণ ভাইরাস প্রয়োগ করে একটি দেশকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া৷ কোনও রকম আগ্নেয়াস্ত্র বা পরমাণু বোমা ছাড়াই৷ ছোট্ট চিপে সেই জীবাণু নিয়ে আমেরিকায় ঢুকে পড়েন লি চেং। উদ্দেশ্য ছিল, মানুষের শরীরে ওই জীবাণু ঢুকিয়ে দেওয়া। যাতে এক সঙ্গে হাজার হাজার মানুষকে শেষ করে দেওয়া যায়।তার পর কী হয়েছিল? জানতে হলে পড়তে হবে ১৯৮১ সালে প্রকাশিত ‘দ্য আই অব ডার্কনেস’ বইটি।  নভেল করোনাভাইরাসের কবলে চিন-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যখন মৃত্যুমিছিল শুরু হয়েছে, ঠিক তখনই নতুন করে হইচই শুরু হয়েছে বইটি নিয়ে। কারণ একটাই ডিন কুনৎজের লেখা বইটির সঙ্গে আজকের পরিস্থিতির অদ্ভূত মিল রয়েছে। নেটাগরিকদের দাবি, বইটির মাধ্যমে ৪০ বছর আগেই আজকের পরিস্থিতির ভবিষ্যদ্বাণী করে দিয়েছিলেন লেখক। ট্যুইটারে এক ব্যক্তি প্রথম এই উপন্যাসের একটি অংশ পোস্ট করেন৷ এরপরেই সেই পোস্ট ভাইরাল হয়ে যায়৷ উপন্যাসের ওই অংশটি দেখে স্তম্ভিত সোশ্যাল মিডিয়া৷ কংগ্রেস নেতা মণীশ তিওয়ারিও ওই পোস্টটি ট্যুইটারে শেয়ার করে লিখেছেন, 'করোনা ভাইরাস কি চিনের তৈরি করা বায়োলজিক্যাল অস্ত্র? এই বইটি ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল৷'শুধু মণীশ তিওয়ারিই নন, ডিন কুনৎজের ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হয়েছে বলে দাবি করছেন নেটাগরিকদের অনেকেই। কেউ কেউ লিখেছেন, ‘‘এ এক আশ্চর্য সমাপতন।’’ কেউ আবার লিখেছেন, ‘‘আশ্চর্য এক দুনিয়ায় বাস করছি আমরা।’’প্রসঙ্গত, বায়োলজিক্যাল যুদ্ধের খানিকটা শুরু হয়েছিল বহু আগেই৷ বায়োলজিক্যাল অস্ত্র তৈরির ইতিহাস বিশ্বে বেশ পুরনো৷ অ্যানথ্রাক্স, ব্রুসেলোসিস, কলেরা, নিউমনিক প্লেগ, টুলারেমিয়া, স্মলক্স, গ্ল্যান্ডার্সের মতো মারণ ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া একাধিক বার ব্যবহৃত হয়েছে যুদ্ধে৷ https://twitter.com/ManishTewari/status/1228982903356436480?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1228982903356436480&ref_url=https%3A%2F%2Fbengali.news18.com%2Fnews%2Finternational%2Fa-novel-predicted-wuhan-virus-40-years-ago-ag-409020.html https://twitter.com/DarrenPlymouth/status/1229110623222554626?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1229110623222554626&ref_url=https%3A%2F%2Fbengali.news18.com%2Fnews%2Finternational%2Fa-novel-predicted-wuhan-virus-40-years-ago-ag-409020.html