চিড়িয়াখানায় মৃত্যু হল বাঘিনীর, পরীক্ষার জন্য নমুনা গেল নাইসেডে

আজবাংলা    দিল্লির চিড়িয়াখানায় মৃত ১৪ বছর বয়সের একটি বাঘিনী। জানা যায়, মৃত বাঘিনীর নাম কল্পনা।  প্রাণীদের দেহ থেকে মানবদেহে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয় না, বলে মত বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু মানবদেহ থেকে তা ছড়িয়ে প্রাণীদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। কয়েক দিন আগেই নিউইয়র্কের চিড়িয়াখানায় চার বছরের বাঘ নাদিয়া কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পর ফের চারটি বাঘ এবং তিনটি সিংহের শরীরে মেলে কোভিড-১৯ ভাইরাস।  বুধবার মৃত বাঘিনীর সৎকারের কাজ সম্পন্ন হয় বৃহস্পতিবার। মানুষের সঙ্গে ওই বাঘিনীর যাতে বেশি সংস্পর্শ না হয় সেজন্য কল্পনার সৎকারের কাজে বনদফতরের হাতেগোনা কয়েকজন মাত্র আধিকারিক হাজির ছিলেন। এসেছিলেন চিড়িয়াখানার অল্প কয়েকজন। তবে যাঁরা সেদিন উপস্থিত ছিলেন তাঁদের সকলকেই সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। ময়নাতদন্তও হয়েছে ওই বাঘিনীর। রিপোর্টে জানা গিয়েছে, মৃত্যুর আগে ভীষণ ভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল বাঘিনী কল্পনা। তার শরীরে উচ্চ মাত্রায় ক্রিয়েটিনিন পাওয়া গিয়েছে তার শরীরে। চিড়িয়াখানা সূত্রে খবর, মৃত ওই বাঘিনি গত বুধবার কিডিনি সংক্রান্ত সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়।বৃহস্পতিবার তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করে চিড়িয়াখনা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তার শরীরে কোভিড-১৯ ভাইরাস বাসা বেধেছে কিনা তা জানতে তার রক্তের নমুনা পাঠানো হয়েছে নাইসেডে। সেখান থেকে রিপোর্ট এলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানা পর্ষদের প্রাক্তন সদস্য এবং সেক্রেটারি ডিএন সিং অবশ্য বাঘিনীর মৃত্যুর জন্য চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকেই দায়ি করেছেন। তাঁর কথায়, “সম্ভবত বাঘিনীটি ডিহাইড্রেশনের জেরে মারা গিয়েছে। জব্বলপুরের এক সিনিয়র ভেটেরেনারি ডাক্তার বলেছিলেন বাঘিনীকে যেন স্যালাইন দেওয়া হয়। কিন্তু চিড়িয়াখানার কর্মীরা তা করেননি।