ট্রাম্প প্রশাসনের আমেরিকায় গ্রিন কার্ড ও নাগরিকত্ব পাওয়ার নতুন নিয়মের ঘোষণা

আমেরিকা
আমেরিকা

আজবাংলা নিউইয়র্ক গ্রিন কার্ড আমেরিকায় স্থায়ী বসবাসের জন্য বৈধ অনুমোদন। গ্রিন কার্ড পাওয়ার পাঁচ বছর পরে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। নতুন নিয়মে নিজেদের ভরণপোষণে সক্ষম এবং ভবিষ্যতে কোনোভাবেই সরকারের বোঝা হয়ে উঠবেন না এমন প্রমাণ দিতে পারলেই আমেরিকায় গ্রিন কার্ড অথবা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যাবে। যেসব অভিবাসীরা আমেরিকায় বসবাসের আইনি অনুমোদন পেয়েছে তারা এই নীতিমালার আওতাভুক্ত। ১৫ অক্টোবরের মাঝামাঝি এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হবে বলে জানাগেছে। যাঁরা ইতিমধ্যে গ্রিন কার্ড পেয়েছেন বা মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নীতিমালা প্রযোজ্য হবে না। তবে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ক্ষেত্রে তা কার্যকর হতে পারে। অন্তঃসত্ত্বা মায়েরা যাঁরা সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পান সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় তাঁদের ক্ষেত্রে এই নীতিমালা কার্যকর হবে না। মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্য, উদ্বাস্তু ও আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এই নীতিমালা কার্যকর হবে না।বিভিন্ন নাগরিক অধিকার সংস্থা জানিয়েছে, তাঁরা এই নীতিমালার বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করবে। নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেলও জানিয়েছেন, তিনি এই নীতিমালার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। নতুন নীতিমালার ফলে যেসব অভিবাসী বা বহিরাগত ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে চিন্তিত নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের অফিস থেকে তাদের আইনি সাহায্যের জন্য ৩১১ নম্বরে ফোন করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা কেন কুচিনেলি জানান আমরা চাই এমন মানুষ এ দেশে স্থায়ী বসবাসের জন্য আসুন, যাঁরা নিজেদের খরচ বহন করতে পারে।এর আগে হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, পারিবারিক সূত্রে অভিবাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করে মেধাভিত্তিক নিয়ম চালু করতে তারা আগ্রহী। এই নিয়মে শিক্ষিত, আর্থিকভাবে সচ্ছল ও ইংরেজি ভাষায় অভিজ্ঞ আবেদনকারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কবে এই মেধাভিত্তিক নিয়ম চালু হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। আমেরিকায় প্রতিবছর প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করে থাকে। তাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮২ হাজার আবেদনকারী নতুন নীতিমালার আওতায় পড়তে পারে। জানা গেছে, গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করেছে—এমন ব্যক্তিদের নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের জন্য অন্তত তিন বছরের কর প্রদানের হিসাব ও এই সময়ে চাকরির প্রমাণ দেখাতে হবে। যাদের বেসরকারি স্বাস্থ্যবিমা আছে তাঁদের ক্ষেত্রে গ্রিন কার্ডের অনুমোদন সহজ হবে।    

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!