ফাঁকা বাড়িতে ঢুকে ছাগলকে ধর্ষণের অভিযোগ যুবকের বিরুদ্ধে

আজবাংলা   পূর্ব বর্ধমান    মত্ত অবস্থায় ঘরে ঢুকে এক ছাগলকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। তারপর গণধোলাই দিয়ে পুলিসের হাতে তুলে দেয়।ছাগলের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেছিল কৃষ্ণ সিকদার নামে ওই যুবক। তার জেরে দিনভর সরগরম কালনা। ঘটনায় লজ্জায় মাথাকাটা যাচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। অভিযোগ, কালনার  পূর্ব সাহাপুর টিকেপাড়ায় বাসিন্দা ভোম্বল মান্ডির বাড়িতে মদ্যপ অবস্থায় ঢুকে পড়ে কৃষ্ণ সিকদার নামে ওই যুবক। ওই আদিবাসী বাড়িতে ঢুকে একটি ছাগলের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের  চেষ্টা করে সে।সেই ঘটনা দেখে ফেলে এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনায় রক্ত মাথায় উঠে যায় অনেকেরই। ওই যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলা হয় বলে দাবি বাসিন্দাদের।রাগে ক্ষোভে ঘেন্নায় শুরু করে গনধোলাই। বেদম মারধর করে এলাকার বাসিন্দারা। খবর পেয়ে কালনা থানার পুলিশ গিয়ে ওই যুবককে উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। ছি ছি রব পড়ে যায় এলাকা জুড়ে। আহত ওই যুবকের বাড়ি কালনার পূর্ব সাহাপুর কালিতলা এলাকায়।অভিযোগ, সেইসময়ই মত্ত অবস্থায় ভোম্বল মান্ডির ঘরে ঢুকে পড়েন কৃষ্ণ হালদার। অবলা জীবটির উপর পাশবিক অত্যচার চালান। সেইসময় ভোম্বল মান্ডির বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন গ্রামেরই কয়েকজন মহিলা ও পুরুষ। অপকর্ম করতে দেখে তাঁরাই হাতেনাতে ধরে ফেলেন অভিযুক্ত কৃষ্ণ হালদারকে।যদিও কালনা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কৃষ্ণ হালদারের দাবি, মদ্যপ অবস্থায় ভুল করে সে অন্যের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। মিথ্যে অভিযোগে তাকে এলাকাবাসীরা ধরে মারধর করে। বর্তমানে  কালনা হসপিটালে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন কৃষ্ণ সিকদার। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, নিজের অপকীর্তি বুঝতে পেরে এখন কথা ঘোরাচ্ছে ওই যুবক। তবে এই ঘটনাই প্রথম নয়। কয়েক বছর আগে গোরুর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে গিয়ে ধরা পড়েছিল পূর্ব বর্ধমানেরই ভাতার থানা এলাকার এক যুবক। সেই ঘটনাতেও জেলা জুড়ে জোর শোরগোল পড়েছিল। তারপর ফের পশুর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্হাপনের চেষ্টার এই অভিযোগ উঠলো।