এবার মোবাইলে চলে এলো "করোনা" গেম !!

আজ বাংলা : লকডাউন এ থাকা গৃহবন্ধী মানুষ এখন যে করেই হোক সময় কাটানোর জন্য নতুন কিছু করেই চলেছে সেটা রান্না থেকে শুরু করে ঘরের কাজ এবং আরও অনেক কিছু । এই সময়ই দেখা দিচ্ছে আবার মোবাইল গেমের দাপট । সারাদিনের কাজের জন্য পড়াশোনার জন্য এই গেম থেকে কিছুটা হলেও দূরত্ব বেড়ে ছিল গেম প্রেমিদের । কিন্তু এখন সমস্ত কিছুই বন্ধ গৃহবন্দী মানুষ আবার গেমের প্রতি আসক্ত হচ্ছে । নিউ ট্রেন্ড অনুযায়ী গেম তৈরি হওয়া একটি মজাদার ব্যাপার । তে এবার মোবাইল গেমে চলে এলো করোনা ভাইরাস এর গেম । এখন প্রত্যেকের মোবাইলেই দেখা যাবে করোনা নামক গেমটি ।এই গেম খেলার রয়েছে অনেক রকম পদ্ধতি করোনা ভাইরাস ঘোরাফেরা করবে এবং সে গুলোকে যত বেশি মারা যাবে একসময় গিয়ে জয় হবে এবং কোয়ারেন্টাইন জোন বলে একটি গেমের অংশ থাকবে সেখানে ঢুকে পড়লে খেলাটি আরো কঠিন হয়ে যাবে। আবার এরকম গেমের দৃশ্যে দেখা যাবে শহরটিতে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস এবং করোনা আক্রান্ত মানুষের থেকে পালিয়ে বেড়াতে হবে ছুটে ছুটে । এরকম ভাবেই নানান রকম পদ্ধতিতে গেমটি খেলা যাবে। এবং আরো একটি অংশ থাকবে গেমে হাসপাতালে বাস চালিয়ে করণা সংক্রমণ যুক্ত মানুষদের পিষে মারতে হবে ।কিন্তু এই গেম নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে শিক্ষক মহলে। এই গেম এর সাহায্যে মানুষের মনে হিংসাত্মক মনোভাব সৃষ্টি হতে পারে । এর আগেও মোবাইল গেম যে ছাত্র ছাত্রী থেকে শুরু করে সকলের জন্য খুব একটা নিরাপদ নয় এই সমালোচনা হয়েছে । নেট দুনিয়াতে এর আগেও ভাইরাস সংক্রান্ত অনেক গেমই এসেছে কিন্তু এগুলো মানুষের মস্তিষ্ক বিকৃত করে তুলতে পারে । আর এই একমাস ধরে লকডাউন এ গেম খেলার প্রবণতা আরো বেড়ে চলেছে মানুষের মনে, টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া থেকে জানা যায় প্রায় এক বছরের সমান গেম ডাউনলোড করা হয়েছে মাত্র এই এক মাসে। এর আগেও এই গেমের ওপর চরম আসক্তির জন্য অনেক মৃত্যু সংবাদ পেয়েছি আমরা । মনোরোগ চিকিৎসকের মতে গেম খেলা কোন অবসাদের কারণ না হতেও পারে কিন্তু মানুষ যখন গেম খেলে তখন সেটিকে খেলা হিসেবে না নিয়ে নিজের জীবনের সাথে তুলনা করে এবং হতাশ হয়ে পড়ে এটাই মানুষের মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে।আর এ ছাড়াও নেট দুনিয়াতে আসা এই সমস্ত গেম ওয়েবসাইটগুলো বিপদজনক হতে পারে এই ওয়েবসাইট গুলোতে থাকতে পারে হ্যাকারদের ষড়যন্ত্র তাই এই ওয়েবসাইট ব্যবহার করার সময় ব্যক্তিগত অনেক তথ্যই দুষ্কৃতীদের হাতে চলে যেতে পারে বলে জানায় ইন্ডিয়ান স্কুল অফ এথিক্যাল হ্যাকিং এর অধিকর্তা ।