এবার বর্ধমানে এক শিশুকন্যার দেহে মিললো করোনার সংক্রমণ।

করোনার সংক্রমণ

আজবাংলা   পূর্ব বর্ধমান     এক বছরের ওই শিশুকন্যা বাবা-মায়ের সঙ্গে দিল্লি থেকে ফিরেছিল। দিল্লি থেকে ফেরার পর তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।সেই নমুনা পরীক্ষাতেই ওই শিশুকন্যা করোনা পজিটিভ বলে রিপোর্ট এসেছে। ওই শিশুকন্যার মায়ের নমুনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তবে তার বাবার রিপোর্ট এখনও আসেনি।

এই নিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট একুশ জন বাসিন্দা করোনায় আক্রান্ত হলেন।কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা বেড়ে হল ১১।আক্রান্ত শিশুকন্যার বাবা বর্ধমানের উদয় পল্লী এলাকার বাসিন্দা। তিনি দিল্লির করালবাগে সোনা রুপোর কাজ করেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি নাগাদ তিনি স্ত্রী ও শিশু কন্যাকে দিল্লি নিয়ে গিয়েছিলেন। লকডাউনের জেরে সেখানেই আটকে ছিলেন তাঁরা। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালু হওয়ার পর গত ১৬ মে তিনি স্ত্রী কন্যা নিয়ে  দিল্লি থেকে বর্ধমানে ফেরেন। বর্ধমানের কৃষি খামারে কোয়ারেন্টিন সেন্টারে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ১৭ মে তাদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর সেখান থেকে তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।ইতিমধ্যেই ওই এলাকা বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে।

ওই এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হচ্ছে। তার আশপাশের এলাকা বাফার জোন হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, কন্টেইনমেন্ট জোন এলাকার বাসিন্দারা আগামী একুশ দিন ওই এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না। বাইরের বাসিন্দারাও ওই এলাকায় ঢুকতে পারবেন না। এলাকার বাসিন্দাদের ওষুধ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর প্রয়োজন হলে এলাকার পুলিশ কর্মীরাই বাইরে থেকে তাদের তা কিনে এনে দেবেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই উদয়পল্লী এলাকায় উদ্বেগ বেড়েছে। আশপাশ এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই শিশুকন্যার সংস্পর্শে আসা প্রত্যেককেই বর্ধমানের বামচাঁদাইপুরের  প্রি কোভিড হাসপাতালে নিয়ে এসে রাখা হবে। তাদের লালা রস পরীক্ষা করা হবে। এছাড়াও আর কারা কারা ওই শিশুকন্যার সংস্পর্শে এসেছিল তার তালিকা তৈরি করছে পুলিশ।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!