নদীয়ার হাঁসখালি তে বিজেপি নেতার উপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের ছেলে-সহ তিন

মালয় দে আজবাংলা হাঁসখালি নদীয়া হাঁসখালির এক বিজেপি নেতাকে মারধর ও গুলি করে খুনের চেষ্টার অভিযোগে এক অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।অভিযোগ,তপন বর্মন নামের ওই বিজেপি নেতার ওপর বুধবার রাতে হামলা চালায় একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী।আক্রান্ত বিজেপি নেতা তিলক বর্মন হাঁসখালি থানার ৩৪ নম্বর জেলা পরিষদের বিজেপি মন্ডল এর সাধারণ সম্পাদক।তাকে কৃষ্ণনগর হাসপাতালে ভর্তী করা হয়েছে।অন্যদিকে এই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কার্যত বন্ধের চেহারা নিয়েছে বগুলা।এলাকায় নামানো হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।সূত্রের খবর,নদীয়ার হাসখালী থানার বগুলার বাসিন্দা তিলক বর্মন বুধবার রাতে তার বাড়ির কাছে বেনিফিস মার্কেটে একটি কমপ্লেক্সের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল।অভিযোগ, তখনই আচমকাই জনা কুড়ি তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী এসে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।অভিযোগ,দুস্কৃতিরা তিলক বর্মনকে বাঁশ, রড দিয়ে ব্যাপক মারধর করে।অভিযোগ,প্রাণে বাঁচতে ওই বিজেপি নেতা পালানোর চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলিও চালায় দুস্কৃতিরা।যদিও গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় প্রানে বেঁচে যান তপন বর্মন।এরপর দুস্কৃতিরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে গেলে স্থানীয় মানুষজন তিলক বর্মনকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে,ওপরে কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। তার মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই পড়েছে এবং সারা শরীরে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।বিজেপির অভিযোগ,এলাকায় ক্রমশ বিজেপি তাদের শক্তি বৃদ্ধি করায় তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতিরা এই আক্রমণ চালিয়েছে।অন্যদিকে এই ঘটনার পরে বুধবার রাতেই দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে কৃষ্ণনগর বগুলা রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি।এই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কার্যত বন্ধের চেহারা নিয়েছে বগুলা।সকাল থেকেই দোকানপাট বন্ধ রয়েছে,চলছেনা অটোও।ইতিমধ্যে বিজেপি নেতা তপন বর্মনকে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে এক তৃণমূল নেতা ও তার দুই অনুগামীকে । এলাকায় তৈরি হয়েছে অশান্তির বাতাবরণ।