বিজেপির ভয়ে ৮ বছর আগে দখল নেওয়া সিপিএম পার্টি অফিস ফিরিয়ে দিল তৃণমূল

সিপিএম পার্টি অফিস ফিরিয়ে দিল তৃণমূল
সিপিএম পার্টি অফিস ফিরিয়ে দিল তৃণমূল

আজবাংলা কেশপুর ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদল হয় সে বছর কেশপুরে সিপিএম জিতলেও মহিষদার এই পার্টি অফিস দখল নিয়েছিল তৃণমূল।এ বার লোকসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পরে ওই কার্যালয়ের কাছেই পদ্ম-পতাকা উড়তে দেখা যায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার মহিষদায় বিজেপির পতাকা দেখার পরে প্রমাদ গোনেন এলাকার তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। শনিবারই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন, ওই কার্যালয় সিপিএমকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তার পরে রাতারাতি দেবের ভোট প্রচারের ফ্লেক্স নামিয়ে, তৃণমূলের পতাকা খুলে দেওয়াল চুনকাম করে দেওয়া হয়।রাতারাতি ভোল বদলানো পার্টি অফিসে গ্রিলে অবশ্য এখনও লেখা টিএমসি, গ্রিলের নকশায় উঁকি দিচ্ছে ঘাসফুল। সিপিএমের জেলা সম্পাদক তরুণ রায় বলেন ‘‘ওই কার্যালয়টি আমাদেরই ছিল। তৃণমূল দখল করে নিয়েছিল।’’ এখন কার্যালয় ফেরত দিল কেন? তরুণবাবুর জবাব, ‘‘রাজ্যের নানা জায়গায় ভোটে হেরে তৃণমূল বোধহয় এ বার গণতান্ত্রিক সৌজন্যের মর্ম বুঝতে পারছে। তৃণমূলের কেশপুর ব্লক সভাপতি সঞ্জয় পান বলেন, ‘‘মহিষদার ওই ঘটনা আমি শুনেছি। আসলে ব্লক থেকে আমরা কিছু করিনি। এটা স্থানীয়রাই করেছেন।’’ সঞ্জয় খোলসা না করলেও মহিষদার স্থানীয় এক তৃণমূলকর্মী মানছেন, ‘‘আমরা নজর রাখব সিপিএম কার্যালয় যেন সিপিএমেরই থাকে। যদি দেখি ওটা বিজেপির হয়ে যাচ্ছে, তখন আমরা ফের ওখানে বসতে শুরু করব।’’ আর বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী অন্তরা ভট্টাচার্য বলছেন, ‘‘এ ভাবে সিপিএমকে আঁকড়ে তৃণমূল বাঁচতে পারবে না।’ রাজনৈতিক মহলের ধারনা লোকসভায় ভরাডুবির পরেও দিকে দিকে সিপিএম পার্টি অফিস পুনরুদ্ধার শুরু হয়।তাই বিজেপির ভয়ে সিপিএম পার্টি অফিস ফিরিয়ে দিল তৃণমূল ।