জ্যান্ত কই মাছ গলায় আটকে একই ভাবে মৃত্যু হল দুই দেশের দুই ব্যক্তির

Anabas

আজবাংলা     পুকুরে মাছ ধরতে নেমে মুখে একটি জ্যান্ত কই মাছ ধরে রেখেছিলেন ওই ব্যক্তি। জ্যান্ত মাছ রেখে আরেকটি মাছ ধরার চেষ্টা করছিলেন তিনি। আচমকাই মাছটি তাঁক গলার ভিতর ঢুকে যায়। বাংলাদেশের ও ভারতের দুই ব্যক্তির মৃত্যু হল। বাংলাদেশের চন্দনাইশ উপজেলার বরমা ইউনিয়নের পশ্চিম বাইনজুরি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।পুকুরে মাছ ধরতে নেমে মুখে একটি জ্যান্ত কই মাছ ধরে রেখেছিলেন ওই ব্যক্তি।

জ্যান্ত মাছ রেখে আরেকটি মাছ ধরার চেষ্টা করছিলেন তিনি। আচমকাই মাছটি তাঁক গলার ভিতর ঢুকে যায়।মারা যাওয়া ওই ব্যক্তির নাম তৌফিক মোহাম্মদ ওসমানী (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত ওসমান গণির ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিজ বাড়ির পাশে পুকুরে হাতিয়ে মাছ ধরতে নামেন তৌফিক ওসমানী। তিনি প্রথমে একটি কই মাছ ধরে তাঁর মুখের ভেতর রাখেন, এরপর আরও একটি মাছ ধরার চেষ্টা করেন। এ সময় মুখের মাছটি তাঁর গলার শ্বাসনালিতে আটকে যায়। এতে তাঁর অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। আশপাশের লোকজন দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওসমানীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।ভারতের দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের আন্ধারিয়া এলাকার ঘটনা। মৃতের নাম তারাপদ মণ্ডল।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, লকডাউনে বাজারে যাচ্ছিলেন না তারাপদ। বাড়ির পুকুরেই মাছ ধরছিলেন। বুধবার ফের পুকুরে জাল ফেলেন। প্রথমে একটি কই মাছ জালে ওঠে।

তারাপদ মাছটিকে জাল থেকে ছাড়িয়ে হাতে ধরে রাখেন। ফের পুকুরে জাল ফেলেন তিনি। জালে আরও একটি মাছ উঠলে কই মাছটিকে মুখে চেপে ধরেন তারাপদ। আচমকাই কই মাছটি পিছলে মুখের ভিতর ঢুকে যায়। গলার মাঝে আটকে যায় মাছটি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্সকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। শ্বাসনালীতে কই মাছটি আটকে যাওয়াতেই এই দুর্ঘটনা বলে চিকিত্সকরা জানিয়েছেন। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!