আমেরিকায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত উশির পণ্ডিত

Ushir Pandit Durant
ভগবত গীতা হাত রেখে শপথ বাক্য পাঠ

আজবাংলা নিউ ইয়র্ক  ১৯৭০ সালে মাত্র ১১ বছর বয়সে পরিবার নিয়ে পাকাপাকি ভাবে চলে আসেন মার্কিন মুলুকে। নিউ ইয়র্কের সেন্ট জনস ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক হওয়ার পর, তিন বছর নিউ ইয়র্কের ল’ স্কুলে পড়াশোনা করেন। তারপর কুইনস ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিসে সহকারি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি হিসেবে কাজ শুরু করেন। প্রায় ১৫ বছর ধরে সফল ভাবে ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির দায়িত্ব সামলান তিনি।২০১৫ সালে সিভিল কোর্টের বিচারপতি নির্বাচিত হন। বিচারব্যবস্থায় অসামান্য অবদানের জন্য ওই বছরই তিনি ‘সাউথ এশিয়ান পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ জিতে নেন। দক্ষিণ এশিয়া থেকে তিনিই প্রথম মহিলা যিনি এই পদে নির্বাচিত হলেন। আগামী মাসেই ৫৭ বছরে পা দেবেন উশির। উশিরের ছেলেবেলা কেটেছে আহমেদাবাদে। আহমেদাবাদ পাবলিক স্কুলেই শুরু হয় পড়াশোনা। জানিয়েছেন, ইংরাজিতে তেমন পাকাপোক্ত ছিলেন না তিনি। পরিবারের সঙ্গে নিউ ইয়র্কে পাড়ি দেওয়ার পর সেখানকার স্কুলে ভর্তি হতেও সমস্যা হয়েছিল তাঁর। তবে হার মানেননি। কিছুদিনের মধ্যেই আমেরিকান কালচার ও ইংরাজি উচ্চারণে পারদর্শিতা অর্জন করেন। নিউ ইয়র্কের সেন্ট জনস ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক হওয়ার পর, তিন বছর নিউ ইয়র্কের ল’ স্কুলে পড়াশোনা করেন। তারপর কুইনস ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিসে সহকারি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি হিসেবে কাজ শুরু করেন। প্রায় ১৫ বছর ধরে সফল ভাবে ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির দায়িত্ব সামলান তিনি।  নিউ ইয়র্কের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির পদে নির্বাচিত হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত উশির পণ্ডিত ডুরান্ট। ভগবত গীতা হাত রেখে শপথ বাক্য পাঠ করেন তিনি। আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির আসনে নির্বাচিত ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেদাবাদে জন্মগ্রহণকারী উশির পণ্ডিত ডুরান্ট প্রথম দক্ষিণ এশিয় মহিলা বিচারপতি যিনি এই পদে নির্বাচিত হলেন।