বীরাসন ও সুখাসন

বীরাসন ও সুখাসন

মোটা লোকেদের বা যাঁদের বয়স ৪০ অতিক্রম করেছে তাঁদের পক্ষে পদ্মাসন অভ্যাস করা অনেক সময় কষ্টকর। তাঁদের সুবিধার জন্য virasana   বীরাসনের ব্যবস্থা। অনেকে বীরাসনকে সুখাসন নামেও অভিহিত করে থাকেন।

প্রণালী - পদ্মাসনের মতো প্রথমে বাঁ পা হাঁটুর কাছ থেকে ভেঙে ডান হাঁটুর উপর রাখো, যাতে বাঁ পায়ের গোড়ালি ডান দিকের মূলাধার স্পর্শ করে। এখন ডান পা হাঁটুর কাছ থেকে ভেঙে বাঁ পা-র নীচে রেখে সোজা হয়ে বস। পদ্মাসনের মতোই এই আসন অভ্যাস করতে হয়।

পদ্ধতি

১. প্রথমে হাঁটু গেড়ে বসুন। এরপর দুই পায়ের পাতার মাঝখানে ফাঁকা জায়গা থাকবে প্রায় এক ফুট পরিমিত। ফলে বসার সময় নিতম্ব ভূমি স্পর্শ করে থাকবে।

২. মেরুদণ্ড সোজা করে হাত দুটো উরুর উপর রাখুন। হাতের তালু এক্ষেত্রে দুইভাবে স্থাপন করতে পারেন। এর বিকল্প হিসাবে হাতকে কোলের কাছে দুই ভাবে (দুই ধরনের মুদ্রায়) রাখতে পারেন। ক. হাঁটুর উপর জ্ঞান মুদ্রা তৈরি করে। খ. পেটের কাছে ভৈরব মূদ্রা তৈরি করে।

৩. এবার যে কোন মুদ্রা ধারণ করে ৩০ সেকেণ্ড স্থির হয়ে বসে থাকুন। এই সময় স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে থাকুন। ৩০ সেকেণ্ড শেষে আসন ত্যাগ করে শবাসনে বিশ্রাম নিন। এরপর আরও দুইবার আসনটি করুন।

উপকারিতা - এই আসন অভ্যাসে পদ্মাসনের মতোই ফললাভ হয়।

১. হাঁটুর ব্যাথা ও গেঁটে বাতের উপশম হয়।

২. গোড়ালি ও পায়ের পাতার ত্রুটি দূর হয়।

৩. খাবার পরে পেট ভার হলে এই আসন করলে, অস্বস্তি লাঘব হবে।