দ্বিতীয় হুগলি সেতু লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক ভবন নবান্নের গেটে চলল গুলি

West Bengal, adjacent to the second Hughli Bridge, went on the gate of Nabanna'
পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক ভবন নবান্নে

আজবাংলা রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন নবান্ন। কড়া নিরাপত্তায় ঘেরা থাকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু লাগোয়া এই ভবনটি। নবান্নের ভিতর এবং প্রবেশের পথগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে কলকাতা পুলিশ। নবান্ন লাগোয়া সামনের রাস্তার নিরাপত্তার দেখভাল করে হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মোড়া নবান্নের নর্থ গেটে প্রচুর সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকে।  শনিবার বেলা ১২টা ২৭ মিনিট নাগাদ ওই গেটের দায়িত্বে থাকা একজন পুলিশ ডিউটি হস্তান্তর করছিলেন। সেই সময় অসাবধানবশত গুলি ছিটকে যায়। গুলি বাঙ্কারে গিয়ে লাগে। গুলির শব্দে হতচকিত হয়ে যান অন্যান্য পুলিশকর্মীরা। কী কারণে গুলি চালালেন ওই পুলিশকর্মী, তা নিয়ে শুরু হয়ে যায় শোরগোল। যদিও পুলিশকর্মীর দাবি, অসাবধানবশতই গুলি চালিয়ে ফেলেছেন তিনি। রাজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গুলি চলার ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। নবান্নের সামনের রাস্তার নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে শিবপুর থানার পুলিশ। তাই এই ঘটনায় ওই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অসাবধানবশত গুলি চালিয়ে ফেলেছেন তিনি নাকি এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে অন্য কিছু, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নবান্নের নর্থ গেটের সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। ওই ফুটেজের সূত্র ধরেই তদন্তের কিনারা করার চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা। গুলির শব্দে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রাজ্যের সচিবালয়ে। আতঙ্কিত হয়ে অনেকে ছোটাছুটি শুরু করেন। তত্‍পর হয়ে ওঠেন নিরাপত্তারক্ষীরা। কোথায়, কীভাবে গুলি চলল, তার খোঁজ শুরু হয়ে যায় দ্রুত। নবান্ন হাই সিকিউরিটি জোন বলে সেখানে নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো থাকে। সেই নিরাপত্তার ফাঁক গলে কেউ হামলা করে বসল, নাকি অন্য কোনও কারণ, সেই খোঁজ শুরু হয়। কিন্তু পরে জানা যায়, এক নিরাপত্তারক্ষীর বন্দুক থেকে গুলি ছিটকে যায়। ডিউটি পরিবর্তনের সময় ঘটনাটি ঘটে। পুরোটাই অসাবধানতাবশত হয়েছে।