ব্যাপক সমালোচনার মুখে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য ইলহান ওমর

ইলহান ওমর
ইলহান ওমর

আজবাংলা নিউইয়র্ক   মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্রেটিক দলের সদস্য ও সোমালি বংশোদ্ভূত ৩৭ বছরের ইলহান ওমর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে একটি টুইট বার্তা লিখেছিলেন মার্কিন  কংগ্রেসের ডেমোক্রেটিক দলের সদস্য ইলহান ওমর। তাতেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন ইলহান। নিজের ও বিরোধী—উভয় রাজনৈতিক দল থেকেই নিন্দা-মন্দ শুনতে হয়েছে তাঁকে। শেষে ক্ষমাই চাইলেন ইলহান ওমর। টুইটারে মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্রেটিক দলের সদস্য ও সোমালি বংশোদ্ভূত ইলহান ওমর একটি বার্তা লিখেছিলেন, যাঁর মূল বক্তব্য ছিল, কিছু গোষ্ঠী ইসরায়েলকে সমর্থন করার জন্য মার্কিন রাজনীতিবিদদের অর্থ দিয়ে থাকে। আর এতেই ওঠে নিন্দার ঝড়। হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ও অন্য ডেমোক্রেটিক নেতারা এই কথায় তীব্র নিন্দা জানান। সমালোচনা করেন বিরোধী রিপাবলিকান দলের নেতারাও। তাঁরা বলছেন, ইলহানের মন্তব্য ইহুদিদের প্রতি জাতিগত ‘বিরোধিতার’ শামিল। এটি অত্যন্ত ঘৃণ্য একটি কাজ। এই ঘটনায় মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। ইলহানের মন্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এর জন্য তাঁর লজ্জিত হওয়া উচিত।  ইলহান ওমরের জন্মস্থান সোমালিয়া  ওই দেশ থেকে আসা প্রথম আমেরিকান-মুসলিম আইনপ্রণেতা তিনি। ২০১৬ সালে মিনেসোটার হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভের সদস্য নির্বাচিত হন ইলহান ওমর। মধ্যবর্তী নির্বাচনে জিতে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন দুই মুসলিম মহিলা সোমালি বংশোদ্ভূত ৩৭ বছরের ইলহান ওমর এবং ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ৪২ বছরের রাশিদা তালেব – এরা দুজনেই ডেমোক্র্যাট দলের সদস্য।  হিজাব-পরিহিত ইলহান ওমর ১৪ বছর বয়সে বয়সে পরিবারের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনে আগে কেনিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে চার বছর কাটিয়েছিলেন। স্থানীয় একটি গির্জার স্পন্সরশীপে ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তার পরিবার মিনিয়াপোলিসে আসার সুযোগ পান।