মদ খাওয়ার প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে

woman was strangled to death and her husband
স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন
woman was strangled to death and her husband
স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন

আজবাংলা মালদা  মদ খাওয়ার প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে । ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় মালদার রতুয়া থানার গোপালপুর এলাকায় । ঘটনার পর পলাতক স্বামী । জানা যায় রাতুয়ার গোপালপুরের বাসিন্দা অনন্ত মন্ডলের সাথে বিয়ে হয় পার্শবর্তী এলাকা দেবীপুরের শকুন্তলা মন্ডলের সাথে । দুই ছেলে এবং এক মেয়েও রয়েছে এই দম্পতির । কিন্তু বিয়ের কিছু দিন কাটাতে না কাটতেই স্ত্রী শকুন্তলা জানতে পারে স্বামী অনন্ত মদের নেশায় আসক্ত রয়েছে । বার বার বারণ করা সত্ত্বেও মদের নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি অনন্ত । আর তা নিয়েই চলতো পরিবারে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি । অভিযোগ শকুন্তলা তার স্বামীকে মদ খাওয়ায় বাধা দিলেই চলতো অত্যাচার । মাঝে মাঝেই সীমা ছাড়াতো  মারধরের । ফলে জীবন বাঁচাতে আশ্রয় নিতে যেতে হত বাবার বাড়িতে । বৃহস্পতিবার অনন্ত আবারও মদ খেয়ে এলে তার প্রতিবাদ করে স্ত্রী শকুন্তলা । আর প্রতিবাদ করায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুনের চেষ্টা করে অনন্ত তার স্ত্রীকে । বৃহস্পতিবার কোন রকমে প্রাণে বাঁচলেও শেষ রক্ষা হয়নি শকুন্তলার । শুক্রবার গভীর রাতে শ্বাসরোধ করে ঘরের মধ্যেই খুন করে শকুন্তলাকে স্বামী অনন্ত বলে অভিযোগ । মৃত্যু নিশ্চিত করতে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়  । ঘটনা প্রসঙ্গে শকুন্তলার ছেলে শুভদীপ জানায় প্রায় প্রতিদিনই মদ খেয়ে বাবা মারধর করত মাকে । গতকাল রাতে আমরা এক সাথেই ঘুমিয়ে ছিলাম । কিন্তু ভোর রাতে দেখি মায়ের মৃত দেহ ঝুলছে । প্রায় প্রতিদিনই মায়ের উপর অত্যাচার চালাতো বাবা বলেও জানায় শুভদীপ । মৃতার দাদা অমল মন্ডল জানান মদ খাওয়ার প্রতিবাদ করায় প্রতিদিনই অশান্তি লেগেই থাকতো বোনের পরিবারে । মদ খাওয়ার প্রতিবাদ করায় খুন করা হয়েছে আমার বোনকে । ঘটনার পর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় রতুয়া থানার পুলিশ । তবে ঠিক কি কারণে এই মৃত্যু তানিয়া পুলিশ তদন্ত শুরু করলে স্বামী অনন্ত পলাতক ।