ছেলেদের থেকে মেয়েরা বেশি 'গেমিং ডিসঅর্ডার'-এ ভুগছেন! বলছে সমীক্ষা

ছেলেদের থেকে মেয়েরা বেশি 'গেমিং ডিসঅর্ডার'-এ ভুগছেন! বলছে সমীক্ষা

আজ বাংলা: শুধু মাত্র পুরুষরাই নয়, মহিলারাও বর্তমানে অনেক বেশি পরিমাণে মোবাইল এডিক্ট হয়ে গিয়েছেন। সমীক্ষা বলছে, সিরিয়াল, কিংবা সিনেমা নয়, রিয়্যালিটি শো-ও নয়। বিনোদনের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম এখন মোবাইল গেম।


এই করোনা অতিমারী আবহে বিনোদনের অন্যান্য মাধ্যমকে ছাপিয়ে গিয়েছে মোবাইল গেম। হ্যাঁ সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই তথ্য। আনন্দ, মজা, বন্ধুত্ব সবই জুটেছে ওই মোবাইল গেমে। পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও ক্রমশ আসক্ত হয়ে পড়ছেন নতুন এই ট্রেন্ডে।

লকডাউনের শুরুতে ঘরবন্দি জীবনে বিনোদনের নানা পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মুঠোফোনের গেম দুনিয়ায় ডুবেছিল সারা দেশ। সেখান থেকেই আসক্তি ছড়িয়েছে বলে মনে করছেন মোবাইল স্ট্র্যাটেজিস্ট ক্রেগ চ্যাপেল।

বেশ কয়েকটি ধাপে লকডাউন উঠে যাওয়ার পরেও মোবাইল গেমের অভ্যেস আর পিছু ছাড়ছে না। বাস, ট্রাম, মেট্রোর অপেক্ষায় অথবা কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে এমন সঙ্গীর বিকল্প আর নেই! 


যদিও অন্য কোনও খেলায় অনেক ঝক্কি! তার চেয়ে বরং মোবাইল গেম অনেক ঝক্কিবিহীন। আর নিউ নর্ম্যালের আবেদনও অনেক বেশি।

সমীক্ষা অনুযায়ী, এই মোবাইল গেমে আসক্তদের মধ্যে ৪০ শতাংশই মহিলা। মোবাইল কনসালটেন্সি অ্যাপ অ্যানি জানিয়েছে মোবাইল গেমিং এই বছরে রাতারাতি দারুণ ব্যবসা করেছে। 

আর বছরের শেষে মোবাইল গেমিং-এর বিশ্ব জুড়ে ব্যবসার অঙ্কটা গিয়ে দাঁড়াতে পারে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার! ক্যান্ডি ক্রাশ, থেকে শুরু করে অনরস অব কিং, পোকেম্যান গো এই মোবাইল গেমগুলো রাতারাতি জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছেছে।

এমনকি বেশ কিছু ভিডিও গেম বিনামূল্যেই ডাউনলোড করা যায়। সেখান থেকে নেশা তৈরি হয়ে গেলে আপডেট করার সময়ে অর্থ ব্যয় করতেও খুব সহজেই রাজি হয়ে যান গ্রাহক। এ হেন মোবাইল গেম যাঁরা বানান, তাঁরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপরে ভর করেই বানান।


গ্রাহকের মনস্তত্ত্ব, আবেগ বুঝে বানান, ফলে পছন্দ আসক্তিতে পরিণত হতে খুব বেশি সময় লাগে না। জকনা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মোবাইল গেম খেলার অভ্যাসকে 'গেমিং ডিজঅর্ডার' তকমা দিয়েছে।