বজরঙ্গবলির পুজো করুন এই ভাবে | জীবনে ফিরে আসবে সুখ ও সমৃদ্ধি

বজরঙ্গবলির পুজো করুন এই ভাবে | জীবনে ফিরে আসবে সুখ ও সমৃদ্ধি

আজবাংলা ঙ্কটমোচন হনুমানকে পুজো করার দিন । এই দেবতাকে মন থেকে ডাকলে, জীবন থেকে সমস্ত বিপদ-আপদ দূর হয়ে যায় । প্রত্যেক শনি-মঙ্গলবার তাই মন-প্রাণ দিয়ে বজরংবলীর পুজোয় ব্রতী হওয়া উচিত । আর বজরংবলী বা সঙ্কটমোচন হনুমানের পুজোতে অবশ্যই পাঠ করতে হবে হনুমান চালিশা ।আমরা সঙ্কটমোচক বজরঙ্গবলির বার হিসেবে মঙ্গলবার কেই জানি, কিন্তু আমরা প্রতিদিন তার আরাধনা করলে আলাদাই ফল পাওয়া যায় যা আমাদের কল্পনার বাহিরে। মঙ্গলময় রূপ হলেন অঞ্জন তনয় ও পবনপুত্র হনুমান।অন্য কোনও তেজ টিকতে পারেনা পবনপুত্র হনুমানের তেজের সামনে। ত্রিভুবন কাঁপে তাঁর সিংহ গর্জনে। পূরণ করেন জীবেক সকল আশা আকাঙ্খা।

বজরঙ্গবলির উপাসনা পদ্ধতি

বাড়ির মন্দিরে বজরঙ্গবলির পুজো করলে প্রথমে গণেশের পুজো করুন। গণেশকে স্নান করিয়ে ফুল, ধূপ, প্রদীপ দিয়ে পুজো দিয়ে তারপর হনুমানের পুজো করুন। হনুমানএর মূর্তি স্নান করান। প্রণাম মন্ত্র জপ করুন এবং ভগবান হনুমানকে সিঁদুরের তিলক লাগান। একটি প্রদীপ জ্বালান প্রসাদ অর্পণ করুন ফল, মিষ্টি, ফুল দিন। এক এক করে উপাসনার সমস্ত জিনিস ঈশ্বরের কাছে অর্পণ করুন। ঘি বা তেল এর প্রদীপ জ্বালান, আরতি করুন। হনুমান চল্লিশা পাঠ করুন, পুজোর পরে প্রসাদ বিতরণ করুন। বজরঙ্গবলির পুজায় প্রসাদ হিসাবে সম্ভব হলে গুড়, নারকেল ও লাড্ডু দিন। বিকেলে গুড়, ঘি, গমের ময়দা দিয়ে তৈরি রুটি মিশ্রণ এবং সন্ধ্যায় কলা, আপেল ফল দিয়ে পুজো দেওয়া উচিত। বিশেষ করে লাল বা হলুদ ফুল দিয়ে হনুমানের পুজো করুন। পদ্ম, গাঁদা, গোলাপ ইত্যাদির এই ফুলগুলিতে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। হনুমানজিকে জাফরান দিয়ে লাল চন্দনের তিলক লাগান। 

হনুমান চল্লিশা

জয় হনুমান জ্ঞান গুণ সাগর |
জয় কপীশ তিহু লোক উজাগর || ১

রামদূত অতুলিত বলধামা |
অংজনি পুত্র পবনসুত নামা || ২
মহাবীর বিক্রম বজরঙ্গী |
কুমতি নিবার সুমতি কে সঙ্গী ||৩

কংচন বরণ বিরাজ সুবেশা |
কানন কুংডল কুংচিত কেশা || ৪

হাথবজ্র ঔ ধ্বজা বিরাজৈ |
কাংথে মূংজ জনেবূ সাজৈ ||৫

শংকর সুবন কেসরী নন্দন |
তেজ প্রতাপ মহাজগ বন্দন || ৬

বিদ্য়াবান গুণী অতি চাতুর |
রাম কাজ করিবে কো আতুর ||৭

প্রভু চরিত্র সুনিবে কো রসিয়া |
রামলখন সীতা মন বসিয়া || ৮

সূক্ষ্ম রূপধরি সিয়হি দিখাবা |
বিকট রূপধরি লংক জরাবা || ৯

ভীম রূপধরি অসুর সংহারে |
রামচংদ্র কে কাজ সংবারে || ১০

লায় সংজীবন লখন জিয়ায়ে |
শ্রী রঘুবীর হরষি উরলায়ে || ১১

রঘুপতি কীন্হী বহুত বডায়ী |
তুম মম প্রিয় ভরতহি সম ভায়ী || ১২

সহস বদন তুম্হরো য়শগাবৈ |
অস কহি শ্রীপতি কণ্ঠ লগাবৈ || ১৩

সনকাদিক ব্রহ্মাদি মুনীশা |
নারদ শারদ সহিত অহীশা || ১৪

য়ম কুবের দিগপাল জহাং তে |
কবি কোবিদ কহি সকে কহাং তে || ১৫

তুম উপকার সুগ্রীবহি কীন্হা |
রাম মিলায় রাজপদ দীন্হা || ১৬

তুম্হরো মন্ত্র বিভীষণ মানা |
লংকেশ্বর ভয়ে সব জগ জানা || ১৭

য়ুগ সহস্র য়োজন পর ভানূ |
লীল্য়ো তাহি মধুর ফল জানূ || ১৮

প্রভু মুদ্রিকা মেলি মুখ মাহী |
জলধি লাংঘি গয়ে অচরজ নাহী || ১৯

দুর্গম কাজ জগত কে জেতে |
সুগম অনুগ্রহ তুম্হরে তেতে || ২০

রাম দুআরে তুম রখবারে |
হোত ন আজ্ঞা বিনু পৈসারে || ২১

সব সুখ লহৈ তুম্হারী শরণা |
তুম রক্ষক কাহূ কো ডর না || ২২

আপন তেজ তুম্হারো আপৈ |
তীনোং লোক হাংক তে কাংপৈ ||২৩

ভূত পিশাচ নিকট নহি আবৈ |
মহবীর জব নাম সুনাবৈ || ২৪

নাসৈ রোগ হরৈ সব পীরা |
জপত নিরংতর হনুমত বীরা || ২৫

সংকট সেং হনুমান ছুডাবৈ |
মন ক্রম বচন ধ্য়ান জো লাবৈ || ২৬

সব পর রাম তপস্বী রাজা |
তিনকে কাজ সকল তুম সাজা || ২৭

ঔর মনোরধ জো কোয়ি লাবৈ |
তাসু অমিত জীবন ফল পাবৈ || ২৮

চারো য়ুগ পরিতাপ তুম্হারা |
হৈ পরসিদ্ধ জগত উজিয়ারা || ২৯

সাধু সন্ত কে তুম রখবারে |
অসুর নিকন্দন রাম দুলারে || ৩০

অষ্ঠসিদ্ধি নব নিধি কে দাতা |
অস বর দীন্হ জানকী মাতা || ৩১

রাম রসায়ন তুম্হারে পাসা |
সদা রহো রঘুপতি কে দাসা || ৩২

তুম্হরে ভজন রামকো পাবৈ |
জন্ম জন্ম কে দুখ বিসরাবৈ || ৩৩

অংত কাল রঘুবর পুরজায়ী |
জহাং জন্ম হরিভক্ত কহায়ী || ৩৪

ঔর দেবতা চিত্ত ন ধরয়ী |
হনুমত সেয়ি সর্ব সুখ করয়ী || ৩৫

সংকট কটৈ মিটৈ সব পীরা |
জো সুমিরৈ হনুমত বল বীরা || ৩৬

জৈ জৈ জৈ হনুমান গোসায়ী |
কৃপা করো গুরুদেব কী নায়ী || ৩৭

জো শত বার পাঠ কর কোয়ী |
ছূটহি বন্দি মহা সুখ হোয়ী || ৩৮

জো য়হ পডৈ হনুমান চালীসা |
হোয় সিদ্ধি সাখী গৌরীশা || ৩৯

তুলসীদাস সদা হরি চেরা |
কীজৈ নাথ হৃদয় মহ ডেরা || ৪০

দোহা
পবন তনয় সঙ্কট হরণ - মঙ্গল মূরতি রূপ |
রাম লখন সীতা সহিত - হৃদয় বসহু সুরভূপ ||

সিয়াবর রামচন্দ্রকী জয় | পবনসুত হনুমানকী জয় | বোলো ভায়ী সব সন্তনকী জয় |।

ওম রামদূতয় নমঃ' মন্ত্র জপ কমপক্ষে ১০৮ বার জপ করা উচিত। যে ব্যক্তি হনুমানজির উপাসনা করেন, তার উচিত সমস্ত মহিলাকে সম্মান করা। কোনও মহিলার প্রতি ভুল ধারণা মনে রাখবেন না। আজকের  বজরঙ্গবলির পুজো করুন, আর জীবনে ফিরিয়ে আনুন সুখ ও সমৃদ্ধি।