মঙ্গলবারে বাড়িতে হনুমানজির পুজো করুন এই পদ্ধতিতে, জীবন হবেই সুখ-সমৃদ্ধিময়

আজবাংলা     একমাত্র বজরঙ্গবলির কৃপায় জীবনের সব রকমের সঙ্কট নিমেষেই কেটে যায়, জীবন হয়ে ওঠে সুন্দর ।একমাত্র বজরঙ্গবলির কৃপায় জীবনের সব রকমের সঙ্কট নিমেষেই কেটে যায়, জীবন হয়ে ওঠে সুন্দর ৷ তিনি একমাত্র মঙ্গলময় মুখ । তাঁর করুণায় জীবের সব থেকে বড় বিপর্যয় কাটে রাতারাতি ।বজরঙ্গবলির এক বিশেষ শক্তি আছে সেই বিশেষ শক্তিতেই কাঁপা ত্রিভুবন । প্রতি মঙ্গল ও শনিবার হনুমানজির পুজো ও সেবা করলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায় ৷তিনি একমাত্র মঙ্গলময় মুখ ৷ তাঁর করুণায় জীবের সব থেকে বড় বিপর্যয় কাটে রাতারাতি ৷ অর্থকষ্ট বা অসুখে আক্রান্ত জীবনে হনুমানজির আশীর্বাদ হয়ে উঠতে পারে মুক্তির পথ। আজ মঙ্গলবার। নিত্য ব্যস্ততার মধ্যেও সপ্তাহে এই একদিন হনুমানজির উপাসনা করলে হনুমানজির কৃপায় আপনার জীবন হয়ে উঠতে পারে সুখ-সমৃদ্ধিময়। সনাতন ধর্মমতে, বজরঙ্গবলীকে প্রসন্ন করার জন্য অনেক মন্ত্র, স্তুতি ইত্যাদি রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হনুমান বাহুক। তুলসীদাস রচিত এই গ্রন্থ সম্পর্কে শোনা যায়, কলিযুগের প্রকোপে সৃষ্টি হওয়া হাতের ব্যথায় কাবু হয়েছিলেন তিনি। তখনই ব্যথা থেকে নিবৃত্তি পেতে এই গ্রন্থ রচনা করেন তুলসীদাস। হনুমাল চল্লিশা পাঠ করলে সকল কষ্ট দূরীভূত হয়ে থাকে ।বজরঙ্গবলি একমাত্র এমন এক শক্তি যিনি সমস্ত রকমের দুঃখ কষ্ট থেকে মুক্তি দেন । ঘরে ঘরে সাধারণত মঙ্গলবার করেই বজরঙ্গবলীর পুজো করা হয়। মঙ্গলবার এবং শনিবার করেও অনেকে হনুমাল চল্লিশা পাঠ করেন। বলা হয় প্রতিদিন যদি বিশেষত রাতের বেলা হনুমান চল্লিশা পাঠ করেন, তাহলে তার অভূতপূর্ব ফলাফল পাওয়া যায়।
  • বলা হয়, প্রতিদিন এই গ্রন্থের পাঠ করলে হনুমানজির কৃপায় মনোবাঞ্ছা পূরণ হয়। কিন্তু রোজ যদি করা সম্ভব নাও হয়, তাহলেও অসুবিধা নেই। অন্তত মঙ্গলবার এই গ্রন্থ পাঠ করুন। জেনে নিন সঠিক পদ্ধতি—প্রতিদিন সকালে উঠে স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্রে পুজো শুরু করুন। প্রথমে লাল কাপড়ে হনুমানজির মূর্তি বা ছবিকে স্থাপিত করতে হবে।
  • হনুমানজির সামনে জ্বালিয়ে রাখুন প্রদীপ। তাঁর উদ্দেশে নিবেদন করুন আবির ও লাল ফুল।
  • গুড়-ছোলার ভোগ নিবেদন করুন।
  • এর পর হনুমান বাহুক গ্রন্থটি নিবিষ্ট চিত্তে ভক্তিভরে পাঠ করুন। পাঠশেষে বজরঙ্গবলীর কাছে নিজের মনোষ্কামনা জানান।
জেনে নিন এর ফলে কী ফল লাভ হয়—
  • এই গ্রন্থের পাঠ করার ফলে ইচ্ছাশক্তি বৃদ্ধি পায়। এর ফলে জীবনের সব প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করার শক্তি পাওয়া যায়।
  • যে বাড়িতে হনুমান বাহুক-এর পাঠ করা হয়, সেখানে নেগেটিভ এনার্জি প্রবেশ করে না।
  • চাকরি লাভ, অসুখ থেকে আরোগ্য ও ধনসম্পত্তি লাভ হয়।
  • এককথায় এই গ্রন্থের পাঠ মন দিয়ে করলে বজরঙ্গবলীর কৃপায় আপনার জীবন হবে সুখ-সমৃদ্ধিময়।