শাস্ত্রমতে দেবাদিদেব মহাদেবের পুজোয় জীবন হয়ে উঠবে সুন্দর ও সংসারে ফিরবে শান্তি

শাস্ত্রমতে দেবাদিদেব মহাদেবের পুজোয় জীবন হয়ে উঠবে  সুন্দর  ও সংসারে ফিরবে শান্তি

শাস্ত্রমতে দেবাদিদেব মহাদেবের পুজোয় জীবন হয়ে ওঠে সুন্দর ও সুস্থির। অনেকেই মনে করেন, সোমবার ও শুক্রবারে শিবের পুজো করলে সকল মনের ইচ্ছে পূরণ হয়।সোমবার দেবাদিদেব মহাদেবের পুজোর দিন। বিধি সহকারে প্রতি সোমবার অনেকেই মহাদেবের পুজো করে থাকেন।

শিবপূজার সাধারণ পদ্ধতি এখানে বর্ণিত হল। এই পদ্ধতি অনুসারে প্রতিদিন বা প্রতি সোমবার প্রতিষ্ঠিত শিবলিঙ্গ বা বাণেশ্বর শিবলিঙ্গে শিবের পূজা করতে পারেন। যাঁরা ‘সোমবার ব্রত’ করেন, তাঁরাও এই পদ্ধতি অনুসারে শিবপূজা করে ব্রতকথা পাঠ করতে পারেন। মনে রাখবেন, সাধারণ শিবলিঙ্গ
ও বাণেশ্বর শিবলিঙ্গে পূজার মন্ত্র আলাদা।

যাঁদের বাড়িতে বাণেশ্বর আছেন, তাঁরাই বাণেশ্বর মন্ত্রে শিবের পূজা করবেন। অন্যান্য ক্ষেত্রে সাধারণ শিবপূজার মন্ত্রেই পূজা করবেন। শিবরাত্রির দিন বিশেষভাবে পূজা করার নিয়ম আছে। সকালে সূর্যোদয়ের তিন ঘণ্টার মধ্যে পূজা সেরে নেওয়াই উচিত। একান্ত অসমর্থ হলে খেয়াল রাখতে হবে যেন বেলা বারোটার মধ্যেই পূজা সেরে ফেলা যায়।

তার পর সকালেরপূজা করা উচিত নয়। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তি ছাড়া অন্যেরা কিছু না খেয়েই পূজা করবেন। সকালে স্নান ও আহ্নিক উপাসনা সেরে শিবপূজায় বসবেন। প্রথমে পূজার সামগ্রীগুলি একত্রিত করে গুছিয়ে নিন। প্রতিদিন শিবপূজা করলে অনেক সময় ফুল-বেলপাতা ইত্যাদি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।

সেক্ষেত্রে ওই সব উপাচারের নাম ও মন্ত্র উচ্চারণ করে সামান্যার্ঘ্য (জলশুদ্ধি) জল দিয়ে পূজা করলেই চলে। ধূপ ও প্রদীপ জ্বেলে নিন। শিব, শ্রীগুরু ও ইষ্টদেবতাকে প্রণাম করে তিন জনকে অভিন্ন চিন্তা করতে করতে যথাশক্তি দীক্ষামন্ত্র জপ করবেন। তারপর করজোড়ে এই মন্ত্রটি পাঠ করবেন—


ওঁ সর্বমঙ্গলমাঙ্গল্যং বরেণ্যং বরদং শুভম্।
নারায়ণং নমস্কৃত্য সর্বকর্মাণি কারয়েৎ।।
.
আচমনঃ
ডান হাতের তালু গোকর্ণাকৃতি করে
মাষকলাই ডুবতে
পারে এই পরিমাণ জল নিয়ে ‘ওঁ বিষ্ণু’
মন্ত্রটি পাঠ
করে পান করুন। এইভাবে মোট তিন বার
জলপান
করে আচমন করার পর হাত জোড় করে এই
মন্ত্রটি পাঠ করুন—
ওঁ তদ্বিষ্ণোঃ পরমং পদং সদা পশ্যন্তি
সূরয়ঃ
দিবীব চক্ষুরাততম্।
ওঁ অপবিত্রঃ পবিত্রো বা সর্বাবস্থাং
গতোঽপি বা।
যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স বাহ্যাভ্যন্তরঃ
শুচিঃ।।
.
জলশুদ্ধিঃ
তাম্রপাত্রে বা কোশায় গঙ্গাজল বা
পরিষ্কার জল
নিয়ে মধ্যমা দ্বারা সেই জল স্পর্শ করে এই
মন্ত্রটি পাঠ করুন—


ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতি।
নর্মদে সিন্ধু-কাবেরি জলেঽস্মিন
সন্নিধিং কুরু।


সূর্যমণ্ডল থেকে সকল তীর্থ সেই পার্শ্বস্থ
জলে এসে উপস্থিত হয়েছেন এই চিন্তা
করতে
করতে সেই জলে একটি ফুল দিয়ে
তীর্থপূজা
করুন। তীর্থপূজার মন্ত্রটি হল—


ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে তীর্থেভ্যো নমঃ।
এরপর এই জল সামান্য কুশীতে নিয়ে
পূজাদ্রব্যের
উপর ও নিজের মাথায় ছিটিয়ে দিন।
.
আসনশুদ্ধিঃ
যে আসনে বসেছেন, সেই আসনটিতে
একটি
ফুল দিয়ে হাত জোড় করে এই মন্ত্রটি পাঠ
করুন—
ওঁ পৃথ্বি ত্বয়া ধৃতা লোকা দেবি ত্বং
বিষ্ণুনা ধৃতা।
ত্বঞ্চ ধারায় মাং নিত্যং পবিত্রং কুরু
চাসনম্।।
.
পুষ্পশুদ্ধিঃ
পুষ্প স্পর্শ করে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন—
ওঁ পুষ্পে পুষ্পে মহাপুষ্পে সুপুষ্পে
পুষ্পসম্ভবে।
পুষ্পাচয়াবকীর্ণে চ হুঁ ফট্ স্বাহা।
.
ভূতশুদ্ধিঃ
হাত জোড় করে মনে মনে এই চারটি মন্ত্র
পাঠ
করুন—
ওঁ ভূতশৃঙ্গাটাচ্ছিরঃ সুষুম্নাপথেন
জীবশিবং
পরমশিবপদে যোজয়ামি স্বাহা ।। ১ ।।
ওঁ যং লিঙ্গশরীরং শোষয় শোষয় স্বাহা ।।
২ ।।
ওঁ রং সংকোচশরীরং দহ দহ স্বাহা ।। ৩ ।।
ওঁ পরমশিব সুষুম্নাপথেন মূলশৃঙ্গাটমুল্ল
সোল্লস
জ্বল জ্বল প্রজ্জ্বল প্রজ্জ্বল সোঽহং হংসঃ
স্বাহা
।। ৪ ।।
.
প্রাণায়মঃ
‘ওঁ’ বা গুরুপ্রদত্ত বীজমন্ত্রে (বাণেশ্বর
শিবের
ক্ষেত্রে ‘ঐঁ’ মন্ত্রে) চার বার ৪/১৬/৮
ক্রমে
পূরক, কুম্ভক ও রেচক করে প্রাণায়ম করুন।
.
শ্রীগুর্বাদিপূজাঃ
এরপর একটি একটি করে গন্ধপুষ্পদ্বারা
শ্রীগুরু ও
অন্যান্য দেবতাদের পূজা করুন। মন্ত্রগুলি হল

ঐঁ এতে গন্ধপুষ্পে শ্রীগুরবে নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে গণেশাদিপঞ্চদেবত
াভ্যো
নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে আদিত্যাদিনবগ্রহ
েভ্যো
নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে ইন্দ্রাদিদশদিকপালেভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে কাল্যাদিদশমহাবি
দ্যাভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে মৎস্যাদিদশাবতার
েভ্যো
নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে মৎস্যাদিদশাবতার
েভ্যো
নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে সর্বেভ্যো দেবেভ্যো
নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে সর্বাভ্যো দেবীভ্যো
নমঃ।
.
ধ্যানঃ
এরপর একটি ফুল নিয়ে (সম্ভব হলে কূর্মমুদ্রায়
ফুলটি নেবেন) শিবের ধ্যান করবেন।
শিবের
সাধারণ ধ্যানমন্ত্র ও বাণেশ্বর ধ্যানমন্ত্র
দুটি নিচে
দেওয়া হল—
(সাধারণ ধ্যানমন্ত্র)—
ওঁ ধ্যায়েন্নিত্যং মহেশং রজতগিরিনিভং
চারুচন্দ্রাবতংসং
রত্নাকল্পোজ্জ্বলাঙ্গং পরশুমৃগবরাভীতিহ
স্তং
প্রসন্নম্।
পদ্মাসীনং সমন্তাৎ স্তুতমমরগণৈর্ব্
যাঘ্রকৃত্তিং বসানং
বিশ্বাদ্যং বিশ্ববীজং নিখিলভয়হরং
পঞ্চবক্ত্রং
ত্রিনেত্রম্।।
(বাণেশ্বর শিবের ধ্যান)—
ঐঁ প্রমত্তং শক্তিসংযুক্তং বাণাখ্যঞ্চ
মহাপ্রভাং।
কামবাণান্বিতং দেবং সংসারদহনক্ষমম্।।
শৃঙ্গারাদি-রসোল্লাসং বাণাখ্যং
পরমেশ্বরম্।
এবং ধ্যাত্বা বাণলিঙ্গং যজেত্তং পরমং
শিবম্।।
.
স্নানঃ
এরপর শিবকে স্নান করাবেন। গঙ্গাজলে
শুদ্ধজলে চন্দন মিশ্রিত করে ঘণ্টা
বাজাতে বাজাতে
শিবকে স্নান করাবেন এই মন্ত্রে শিবকে
স্নান
করাবেন—
ওঁ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্।
উর্বারুকমিব বন্ধনান্মৃত্যোর্মুক্ষীয়
মাঽমৃতাৎ।।
ওঁ তৎপুরুষায় বিদ্মহে মহাদেবায় ধীমহি
তন্নো রুদ্রঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ।
বিঃ দ্রঃ সাধারণ শিবলিঙ্গ ও বাণেশ্বর—
উভয়ক্ষেত্রেই
স্নান মন্ত্র এক।
.
প্রধান পূজাঃ
স্নানের পর আরেকবার আগের ধ্যানমন্ত্রটি
পাঠ
করে শিবের ধ্যান করবেন। তারপর মনে
মনে
উপচারগুলি শিবকে উৎসর্গ করে মানসপূজা
করবেন।
মানসপূজার পর একে একে উপচারগুলি
বাহ্যিকভাবে
শিবকে সমর্পণ করবেন।
(সাধারণ শিবলিঙ্গে দশোপচার পূজার
মন্ত্র)—
ওঁ নমো শিবায় এতৎ পাদ্যং শিবায় নমঃ।
(সামান্যার্ঘ্য জল
একটু দিন)
ওঁ নমো শিবায় এষঃ অর্ঘ্যঃ শিবায় নমঃ।
(আতপচাল ও
দূর্বা একটি সচন্দন বেলপাতায় করে ফুল সহ
দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদমাচমনীয়ং শিবায় নমঃ।
(সামান্যার্ঘ্য
জল একটু দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং স্নানীয়ং শিবায় নমঃ।
(সামান্যার্ঘ্য
জল একটু দিন)
ওঁ নমো শিবায় এষ গন্ধঃ শিবায় নমঃ।
(চন্দনের ফোঁটা
দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং সচন্দনপুষ্পং শিবায় নমঃ।
(একটি
চন্দনমাখানো ফুল দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং সচন্দনবিল্বপত্র
ং শিবায়
নমঃ। (একটি
চন্দনমাখানো বেলপাতা দিন)
ওঁ নমো শিবায় এষ ধূপঃ শিবায় নমঃ। (ধূপটি
শিবের
সামনে তিনবার ঘুরিয়ে দেবতার
বাঁদিকে, অর্থাৎ
নিজের ডানদিকে রাখুন)
ওঁ নমো শিবায় এষ দীপঃ শিবায় নমঃ।
(প্রদীপটি
শিবের সামনে তিনবার ঘুরিয়ে দেবতার
ডানদিকে,
অর্থাৎ নিজের বাঁদিকে রাখুন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং সোপকরণনৈবেদ্যং
শিবায়
নিবেদয়ামি।
(নৈবেদ্যের উপর অল্প সামান্যার্ঘ্য জল
ছিটিয়ে দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং পানার্থোদকং শিবায়
নমঃ।
(পানীয় জলের উপর অল্প সামান্যার্ঘ্য জল
ছিটিয়ে
দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং পুনরাচমনীয়ং শিবায়
নমঃ।
(সামান্যার্ঘ্য জল একটু দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং তাম্বুলং শিবায় নমঃ।
(একটি পান দিন,
অভাবে সামান্যার্ঘ্য জল একটু দিন।)
ওঁ নমো শিবায় ইদং মাল্যং শিবায় নমঃ।
(মালা থাকলে মালাটি
পরিয়ে দিন)
(বাণেশ্বর শিবলিঙ্গে দশোপচার পূজার
মন্ত্র)—
বিঃ দ্রঃ উপচার দেওয়ার নিয়ম সাধারণ
শিবলিঙ্গে পূজার
অনুরূপ।
ঐঁ এতৎ পাদ্যং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ এষঃ অর্ঘ্যঃ বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদমাচমনীয়ং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং স্নানীয়ং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ এষ গন্ধঃ বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং সচন্দনপুষ্পং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং সচন্দনবিল্বপত্র
ং বাণেশ্বরশিবায়
নমঃ।
ঐঁ এষ ধূপঃ বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ এষ দীপঃ বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং সোপকরণনৈবেদ্যং বাণেশ্বরশিবায়
নিবেদয়ামি।
ঐঁ ইদং পানার্থোদকং বাণেশ্বরশিবায়
নমঃ।
ঐঁ ইদং পুনরাচমনীয়ং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং তাম্বুলং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং মাল্যং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
.
পুষ্পাঞ্জলিঃ
সচন্দন পুষ্প ও বেলপাতা নিয়ে এই মন্ত্রে
এক,
তিন অথবা পাঁচ বার অঞ্জলি দেবেন—
(সাধারণ পুষ্পাঞ্জলি)—
ওঁ নমো শিবায় এষ সচন্দনপুষ্পবিল্
বপত্রাঞ্জলি
নমো শিবায় নমঃ।
(বাণেশ্বর শিবের পুষ্পাঞ্জলি)—
ঐঁ এষ সচন্দনপুষ্পবিল্বপত্রাঞ্জলি
বাণেশ্বরশিবায়
নমঃ।
.
গৌরীপূজাঃ
এইভাবে শিবপূজা শেষ করে শিবলিঙ্গের
গৌরীপীঠ বা পিনেটে একটি ফুল দিয়ে
এই
মন্ত্রে গৌরীর পূজা করুন—
ওঁ হ্রীঁ এতে গন্ধপুষ্পে গৌর্যৈ নমঃ।
.
অষ্টমূর্তি পূজাঃ
বাণেশ্বর শিবে অষ্টমূর্তির পূজা করতে হয়
না। কিন্তু
অন্যান্য শিবলিঙ্গের ক্ষেত্রে করতে হয়।
একটি
ফুল দিয়ে এই মন্ত্রে অষ্টমূর্তির পূজা করুন—
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে অষ্টমূর্তিভ্যো নমঃ।
.
জপ ও জপসমর্পণঃ
এরপর ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ বা দীক্ষামন্ত্র ১০৮
বার জপ
করে এই মন্ত্রে এক গণ্ডুষ জল শিবের
নিচের
দিকের ডান হাতের উদ্দেশ্যে প্রদান করুন

ওঁ গুহ্যাতিগুহ্যগোপ্তা ত্বং গৃহাণাস্মৎকৃতং
জপম্।
সিদ্ধির্ভবতু মে দেব ত্বৎপ্রসাদান্মহ
েশ্বর।।
.
প্রণামঃ
এইবার এই মন্ত্রটি পড়ে সাষ্টাঙ্গে
শিবকে প্রণাম
করে পূজা সমাপ্ত করুন—
(সাধারণ শিবলিঙ্গের ক্ষেত্রে)—
ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয়হেতবে।
নিবেদয়ামি চাত্মানং গতিস্তং
পরমেশ্বরম্।।
(বাণেশ্বর শিবের ক্ষেত্রে)—
ওঁ বাণেশ্বরং নরকার্ণবতারণায়
জ্ঞানপ্রদায় করুণাময়সাগরায়।
কর্পূরকুন্দধবলেন্দুজটাধরায়
দারিদ্র্যদুঃখদহনায় নমঃ শিবায়।।
.
বিঃ দ্রঃ এটি সাধারণ নিয়ম। দীক্ষাগুরু
বিশেষ নিয়ম কিছু
বলে দিলে, সেই মতো পূজা করবেন।
নতুবা এই
নিয়মেই পূজা করা যেতে পারে।